প্রসঙ্গ যখন রাষ্ট্রধর্ম

1801 জন পড়েছেন

কি দরকার ছিল অতি আবেগ দেখিয়ে ধর্মকে রাষ্ট্রিয় মর্যদায় নেয়ার। যখন তা সবাই চায় না। ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার বানিয়ে তার অবমাননার পথ করে দিল। সব রাজনৈতিক দলই দেখা গেছে নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য ধর্মকে ঢাল বানাচ্ছে। কিন্তু ভেবে দেখছেনা কেউ যদি সেই ঢাল ভেঙ্গে ফেলে তাহলে ধর্মের অসম্মান হবে।একটি বিমান বন্দর। নাম হল একজন নাম করা আউলিয়ার নামে। এখন যদি আরেক সরকার এসে সেই নাম বাদ দেয় অপমানটা কার হবে? কেন মিছে মিছি ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার বানানো?আচ্ছা একটু ভেবে দেখুনতো একটা গাছ যখন ছোট থাকে তাকে ফেলে দিলে কোন সমস্যা নাই। কিন্তু তা যখন বড় হয়ে ছড়িয়ে যায় তখন কিন্তু কাটতে গেলে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। কারণ ততোদিনে শিকর অনেক দূর চলে গেছে। ঠিক তেমনি রাষ্ট্রিয় ধর্মের বিষয়টি সাধারণ মানুষের কাছে খুব সহজ হয়ে গিয়েছে। এখন হুট করে তা বাতিল হলে তাদের মনে বিরুপ প্রতিক্রিয়া হতে পারে। আর তা নিয়ে নতুন রাজনীতির খেলা হতে পারে।

সরকার যদি চায় বিষয়টি নিয়ে গণভোট করতে পারে। এতে যদি জনগণ রায় দেয় রাষ্ট্রধর্ম বাতিলের পক্ষে, সরকার নির্বিঘ্নে কোনো ঝামেলা ছাড়াই তা করতে পারবে। মোটকথা জনগণকে সাথে নিয়ে এই সমস্যা সমাধান করতে হবে। জনপ্রতিনিধিদের দ্বারা এটা করা ঠিক হবে না। কারণ জনপ্রতিনিধি ধর্মীয় বিষয়ে অতটা পারদর্শী নাও হতে পারেন । তাই তাদের মতামতে এ বিষয়ে জনগণের প্রকৃত চাওয়া প্রকাশিত না হলে সমস্যা ঘণীভূত হবে শুধু, কাজের কাজ কিছু হবে না। হ্যাঁ জোড় করে চেষ্টা করলেই এ কাজটি সরকার করতে পারে কিন্তু জোর করে কিছু করলে হিতে বিপরীত হয়। জোর করে কিছু খাওয়ালে বমি হতে পারে। সরকারকি তাই চায়?

রাজনৈতিক ভাবে শুরু হলেও রাষ্ট্রিয় ধর্ম বিষয়টি এখন আবেগ পর্যায়ে চলে গেছে। রাজনৈতিক নাই। তাই সরকারের উচিত খুব হুটহাট নয়, ভেবে চিন্তে এই বিষয়ে সঠিক কর্মপন্থায় সঠিক প্রদক্ষেপ নেয়া। যে কাজ শক্তিতে হয় না কৌশলে তা খুবই সহজ। বিষয়টি সরকারকে ভাবার জন্য অনুরোধ করছি।

1801 জন পড়েছেন

আতা স্বপন

About আতা স্বপন

আমি একজন অতি সাধারন মানুষ। আমি একজন মুসলিম। আমি একজন বাংলাদেশী। আমি আমার ধর্ম ও আমার দেশ কে ভালবাসি। আমি আমার দেশের সকল শ্রেনী পেশা ও ধর্মের লোকদের ভালবাসি। আমি ভাল লোকদের পছন্দ করি। নিজে ভাল হতে চাই।

Comments are closed.