শোষণহীন অর্থব্যবস্থা ও ফেয়ার ট্রেইড প্রসঙ্গে কিছু কথা

1139 জন পড়েছেন

আমরা  যারা মুসলিম তাদের মনে প্রশ্ন জাগা দরকার মহান আল্লাহ তাঁর শেষ নবী মোহাম্মদ (সঃ)কে তাঁর তরুণ বয়সে কেন ব্যবসায়ী পেশায় নিয়োগ করেছিলেন? যাকে আল্লাহ তার নুব্যুওতের দায়িত্ব দিবেন তাঁর জীবনের প্রতিটি বিষয় যে আল্লাহর পরিকল্পনার ভিত্তিতেই হয়েছে তা যে কোন মুমিন বিশ্বাস করবে।

ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় নবী তার ব্যবসায় জীবনে সততা ও ন্যায়পরায়ণতার জন্য আল আমীন তথা বিশ্বস্ত (trustworthy) খেতাবে ভূষিত হয়েছিলেন।

মানব সমাজে ব্যবসা এবং আর্থিক ব্যবস্থার গুরুত্ব মুসলিমরা স্বীকার করলেও জীবনের এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ইসলামী আদর্শে কোন সমাধান আছে কিনা তা আমরা অধিকাংশ মুসলিমরা চিন্তা করতে চাইনা। ইসলামকে আমরা একটি জীবন ব্যবস্থা বললেও ইসলামী আদর্শ যে মানুষের সামাজিক, আর্থিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনে বিরাট ভূমিকা রাখতে পারে সে কথা বিশ্বাস করতে চাইনা এমনকি এসব বিষয়ে আলোচনা করতেই অনেকে ভয় পাই বা বিব্রতবোধ করি কি জানি কেউ কোন অপবাদ দিয়ে না অভিযুক্ত করে ফেলে সে দুশ্চিন্তায়!

তারা অনেকেই জানতে চান না যে পশ্চিমা বিশ্বের জ্ঞান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উন্নয়নকে হাইজাক করে নিয়েছে আন্তর্জাতিক অর্থলোভী পুঁজিপতি তথা কায়েমি স্বার্থবাদী এক বিশেষ গোষ্ঠী। তাদের একটি মাত্র উদ্দেশ্য হল বিশ্বের অর্থব্যবস্থায় তাদের পূর্ণ কর্তৃত্ব বিস্তার করে মোনাফা লুটা আর সেজন্য সুদ ভিত্তিক অর্থব্যবস্থা হচ্ছে তাদের মুনাফা লুটার উত্তম হাতিয়ার। ব্যবিলনের বংশীবাদকের হাতিয়ার যেমন ছিল তার হাতের বাঁশী এদের হাতিয়ার বিশ্বের মানুষকে দুনিয়ার জীবন নিয়ে নেশাগ্রস্ত করে রাখার জন্য হচ্ছে মিডিয়া। তাই দেখা যায় বিশ্বের মূল স্রুতের বড় বড় যত মিডিয়া, সবই তাদের দখলে। অতএব তারা কখনও মানুষকে বর্তমান অর্থব্যবস্থার বিকল্প নৈতিকতা ভিত্তিক শোষণহীন কোন অর্থব্যবস্থা পৃথিবীতে চালু হউক তা চাইবে না। আজ সময় এসেছে এসব ব্যাপারে আলাপ করার।

এ প্রসঙ্গে কানাডায় আর-অই-এস সম্মেলনে প্রদত্ত প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ শেখ হামজা ইউসুফের ভিডিও বক্তব্য শুনতে সবাইকে অনুরোধ করব।

 

 

1139 জন পড়েছেন

Comments

শোষণহীন অর্থব্যবস্থা ও ফেয়ার ট্রেইড প্রসঙ্গে কিছু কথা — ১ Comment

  1. আমাদের মুরব্বীয়ানরা বলে গেছেন এই দুনিয়ায় এমনও একদিন আসবে ধনী গরীব হবে এবং গরীব বিরাট ধন সম্পদের মালিক হবে।যেখানে রাস্তা ঘাট নাই কোনও দিন চিন্তা করা যায় নাই সেই সমস্ত এলাকায় রাস্তা ঘাট হবে।বৃটেনের দিকে থাকালে এবং এশীয়ার দিকে থাকালে কিছুটা অনুভব করা যায় বৃটেন কবে নাগাত রিচেসন থেকে বাহির হবে একমাত্র আল্লাই জানেন।আমার এই মন্ত‌‌‍্রব্যের উদ্দশ্ব্য বৃটেনের মুসলমানের যে অগ্রগতি তাদেরও আর বেশীদিন বাহাদুরী থাকবেনা ইনশহআল্লাহ।