যুক্তির বিচারে আস্তিকতা -১

1362 জন পড়েছেন

আজকাল ভার্চুয়াল জগতে নাস্তিকরা প্রশ্ন করে থাকেন, “তোমরা যে আল্লাহর বিশ্বাস করো তা কি নিজের বিবেক বুদ্ধি খাটিয়ে জেনে বুঝে বিশ্বাস করো, না কি জন্মের পর থেকে মা বাবা পরিজনদের দ্বারা যা একতরফা গিলিয়ে দেয়া হয়েছে, তাকে-ই নির্বিবাদে বিশ্বাস করে বসে আছো? আর গিলানো বিষয়টিকে সত্য বলে বিশ্বাস করে সারা জীবন কাটিয়ে দিচ্ছো? এ বিশ্বাসের যৌক্তিকতা নিয়ে কি কোন দিন কি তোমার মনে কোন প্রশ্ন জেগেছে? সে প্রশ্নের মীমাংসা কি তুমি করতে পেরেছো? কি ভাবে তুমি তা করতে পেরেছো? ছোটবেলা থেকে তো কেবল তোমাকে শিখিয়ে দেয়া হয়, আল্লাহকে মানতে হবে, নামাজ রোজা করতে হবে, পরকালে জবাবদিহি করতে হবে। কিন্তু এর বাইরে যে অনেক কথা আছে, এর বিরুদ্ধেও যে অনেক যুক্তি আছে সে কথা গুলো তো তারা তোমাকে শিখিয়ে দেয়নি! এইটি কি অন্যায় নয়?
এই যে প্রশ্নগুলো যারা করেন তারা শুধু অন্য ধর্মের ইসলাম বিদ্বেষী লোক নন তাদের মধ্যে অনেক আছেন যারা জন্মসূত্রে মুসলিম পরিবারের সন্তান। শুধু সাধারণ মুসলিম পরিবারের সন্তান বললে ভুল হবে, তারা বনেদী রক্ষণশীল মুসলিম পরিবারের সন্তান, তাদের পিতা কিংবা দাদা বড় ইসলামী ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তারা তাদের মধ্যে অনেকের পূর্বপুরুষরা একদিন কত কষ্ট স্বীকার করে এই দেশে ইসলাম আলো জ্বালিয়ে গিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে অনেকে আছেন যারা স্বয়ং আওলাদে রাসুল সাঃ। আওলাদের খুলাফায়ে রাশিদুন রাঃ।
এরকম সন্তান আমাদের কলেজ – ইউনিভার্সিটিতে হাজার হাজার দেখতে পাওয়া যায় এখন সংক্রামকের ন্যায় এদের সরব অস্তিত্ব ইন্টার নেটের ব্লগে ব্লগে পাওয়া যাচ্ছে। দিন দিন এদের সংখ্যা জ্যামিতিক হারে বেড়ে চলছে।
কিন্তু এমন হচ্ছে কেন? আর এর শেষ পরিণতিটি কি হতে চলছে? নেটে দেখি কেউ কেউ এই নিয়ে হায় হুতাশ করি, শঙ্কিত হই; কিন্তু বেশীর ভাগ হায় হুতাশ করে নির্লিপ্ত হয়ে যাই।
কেন আমাদের তরুণরা বিপথগামী হচ্ছে? কেন তারা বিশ্বাস হারিয়ে ফেলছে, তার কারণ কি আমরা কখনো গভীর ভাবে তলিয়ে দেখেছি?
আমরা আমাদের শিক্ষিত সন্তানদেরকে আমাদের ধর্মীয় বিশ্বাস সম্পর্কে যতটুকু শিক্ষা দিয়ে থাকি,- তা সব ক্ষেত্রে যথোপযুক্ত নয়। একটি শিক্ষিত ছেলের মনে ধর্ম নিয়ে প্রশ্ন আসে। এসব প্রশ্নের জবাব আমরা সকল সময় দিতে পারিনা বা অনেক ক্ষেত্রে দেয়াটা প্রয়োজন মনে করিনা বরং নির্বিবাদে স্বীকার করে নেবার উপর জোর করে থাকি। তরুণদের কাছে বিষয়টি কত গুরুত্বপূর্ণ তা আমরা উপলব্ধি করতে পারিনা। আমাদের তরফ থেকে সঠিক জবাবের অভাবে তাদের মনে বিশ্বাসের বন্ধনটি শিথিল হয়ে আসতে পারে।
আজকের পৃথিবীতে ধর্ম বিশ্বাসের গোঁড়ায় আঘাত হানার, তাদের মনে ধর্ম বিশ্বাসের উপর প্রশ্ন জাগিয়ে দেবার, সন্দেহের বীজ বুনার লোকের অভাব নেই। এদের বেশিরভাগ হচ্ছেন আমাদের বুদ্ধিজীবী, কলেজ-ইউনিভার্সিটির শিক্ষক। তাদের কাজ হচ্ছে কোমলমতি ছাত্রদের মনের মধ্যে ধর্ম বিশ্বাস সম্পর্কে নানা প্রশ্ন জাগিয়ে দেয়া। এদের উপরে আছেন সাহিত্যিক বুদ্ধিজীবীরা, তারা তাদের বক্তৃতা, আলোচনা আর সাহিত্যে এই সব প্রশ্ন জাগিয়ে দিয়ে চলছেন। ছাত্র সমাজের উপর এদের প্রভাব প্রতিপত্তিও খুব। এরা ছাত্রদের মনে প্রশ্ন জাগানোকে মহৎ কাজ বলে বিশ্বাস করেন।
এরা ধর্মী মূল্যবোধ ভাঙ্গার কাজে ছাত্রদেরকে উদ্বুদ্ধ করলেও নতুন কোন মূল্যবোধ সৃষ্টি করা প্রয়াস নেন না। তাদের লেখা পড়লেই দেখা যায় যে, তারা ধর্ম এবং ধার্মিকদের সম্পর্কে মনে একটি অবজ্ঞার ভাব, ঘৃণাবোধ জাগিয়ে তোলাই তাদের উদ্দেশ্য। ধর্মকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য তারা তাদের সাহিত্যে ধার্মিকদের কুৎসিত চরিত চিত্রণ করেন। সামাজিক অবক্ষয় আর অর্থনৈতিক অবনতির জন্যও তারা ধর্মকে দায়ী করেন। তারা শিক্ষা দেন যে, ধর্ম প্রগতির অন্তরায়। এবং নাস্তিকতা-ই অধিক যুক্তিসঙ্গত ও বাস্তব সম্মত বলে প্রচার করেন।
উল্লেখিত সাহিত্যিক বুদ্ধিজীবী এবং কলেজ-ইউনিভার্সিটির শিক্ষকগণ তাদের প্রচেষ্টাকে আরো জোরদার এবং কার্যকর করতে সাহিত্যে-সংস্কৃতিতে অশ্লীলতা, নগ্নতা আর যৌনতার অনুপ্রবেশ ঘটিয়ে যাচ্ছেন ব্যাপক ভাবে। অশ্লীলতা-নগ্নতার একটা স্বাভাবিক মোহ আছে,- যা তরুণ মনকে আকর্ষণ করে। যে বয়সে প্রথম যৌনবোধ জেগে উঠে, তখনই এ আকর্ষণ অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠে। অশ্লীল সাহিত্য, সিনেমা আর তরুণ-তরুণীদের অবাধ মেলামেশার সুযোগে অশ্লীলতা-নগ্নতার প্রসার, বেহায়াপনা, বখাটেপনা আর ইভটিজিং এর দৌরাত্ব বেড়ে উঠছে। যে সব তরুণ এর স্বাদ গ্রহণ করেছে, তাদের পক্ষে এর আকর্ষণ কাটিয়ে উঠা খুব কঠিন বৈ কি। আর যেহেতু ধর্মের সঙ্গে, বিশেষতঃ ইসলামের সঙ্গে এ সবের সমঝোতার কোন সুযোগ নেই; তাই তরুণরা ধর্মের বিরুদ্ধে যত যুক্তি আছে সেগুলো খুঁজে বেড়ায়। ধর্মের পক্ষে কোন যুক্তি তারা শুনতে ভয় পায় কারণ ধর্ম প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেলে তারা অশ্লীলতার কোন সুযোগ লাগ করতে পারবেনা।
চিন্তা করে দেখুন, আমাদের তরুণদের ধর্ম থেকে দূরে সরিয়ে রাখার, ধর্মের প্রতি বিদ্বিষ্ট করে তোলার হাজারো ব্যবস্থা আমাদের সমাজে চালু ছিলো এবং সে সবের সাথে যুক্ত হয়েছে ভার্চুয়াল জগত এবং স্যাটেলাইট চ্যানেল। এখন আমাদের ঘরে ঘরে প্রবেশ করছে বিজাতীয় কালচার।আমাদের বুদ্ধিজীবীদের সাথে সারা দুনিয়ার সকল ইসলাম বিরোধী শক্তি ইসলামের বিরুদ্ধে তাদের সর্বাত্মক যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন। আর তাদের চটকদার প্রচার যুদ্ধে আমাদের তরুণরা বড় অসহায় ভাবে বিভ্রান্ত হয়ে বিপথগামী হচ্ছে, তাতে আমরা হেরে চলছি আর আমাদের কনফেডারেট বিরোধী পক্ষ একতরফা ভাবেই জিতেই চলছে।
অন্যদিকে আমরা যদি আমাদের দিকে তাকাই তাহলে দেখতে পাবো যে, আমাদের মধ্যে নেতিবাচক কারণ দেখে তরুণরা আমাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। আমরা মুখে আল্লাহ, নবী এবং ভালো ভালো কথা বলে থাকলেও বাস্তবে নির্দ্বিধায় মিথ্যা কথাও বলে থাকি। যারা আল্লাহ এবং পরকালের বিচারের কথা জানি তারা কেমন করে মিথ্যা কথা বলতে পারে? ঘুষ খাওয়া হারাম জেনেও ঘুষ দেয়া নেয়া করি? চুরি-ডাকাতি, জালিয়াতি, জুয়াচুরি, মার দাঙ্গা ফিতনা ফ্যাসাদ করে যাচ্ছি? আমাদের ছেলে মেয়েরা তা বুঝতে পারেনা। বিশেষ করে শিক্ষিত, সম্মানিত মুসলিমরা এই সব করতে দেখলে তরুণদের মনে এর বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয় বৈ কি। চুরি ডাকাতি- দুর্নীতি সকল সমাজে কম বেশী আছে এবং থাকা স্বাভাবিক, পরকালে বিশ্বাসীদের মাঝে এর প্রকোপ কিছুটা কম হবে এই আশা করাও স্বাভাবিক। কিন্তু বাস্তবে এই প্রকোপটি বরং অন্যান্য সমাজ থেকে আমাদের সমাজে বেশী দেখা যায়। লেবাস আর নীতি কথার সাথে দুর্নীতির সহাবস্থানের কারণে কথা আর কাজের গরমিলটা খুব প্রকট ভাবে আমাদের তরুণদের মনে রেখাপাত করে। এই তরুণরা যখন বিধর্মীদের দিকে তাকাও তখন তারা তাদের মাঝে এই বৈপরীত্য খুঁজে পায়না বরং তাদের কাছে অধিকতর মানবিকতা দেখতে পায়। তখন তাদের মনে প্রশ্ন জাগে ইসলাম গ্রহণ করে আমরা যা করতে পারিনা তারা ইসলাম গ্রহণ ছাড়া তা অবলীলায় করতে সক্ষম। এসব দেখে তরুণ মনে ইসলাম ধর্মের প্রতি বিদ্রোহ জেগে উঠা অস্বাভাবিক কিছু নয়।
যাই হোক প্রতিকুল পরিবেশেও কিছু সংখ্যক মুসলিম তরুণ তাদের নিজদের ঈমানকে সমুন্নত রাখার জন্য প্রাণপণ সংগ্রাম করে যাচ্ছেন। নিজেদের ভাইদের রক্ষা করারও সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ভার্চুয়াল মিডিয়াতে বেশ সাফল্য অর্জন করা হয়েছে, আশা করি সমাজের অর্থবান লোক আকাশ মিডিয়া আর সংস্কৃতি জগতে তরুণদের যুদ্ধে সাহায্য করতে এগিয়ে আসবেন। কারণ এই দুই সেক্টরে আমাদের প্রতিপক্ষদের অবাধ বিচরণ চলছে। এদেরকে এই ভাবে ফাঁকা ময়দানে অনবরত গোল দিয়ে যাবার সুযোগ দেয়া যাবেনা।
যে সব তরুণ, যারা প্রতিপক্ষের প্রচারণায় বিভ্রান্ত হয়ে পড়ছে, বিপথগামী হচ্ছে যাচ্ছে, তাদের আত্মরক্ষার নিমিত্ত এই লেখাটি হাতিয়ার হিসাবে তুলে দেবার প্রচেষ্টা। আল্লাহ আমাদের এবং আমাদের তরুণদেরকে রক্ষা করুন। আমিন!

বিশ্বাস কেন করবো?
বিশ্বাস কার উপর করবো এবং কেন করবো? এই প্রশ্নটা মানব সভ্যতার আদিকাল থেকে চলে আসছে। এতকাল বিশ্বাস কার উপর করবো, কার উপাসনা করবো, এক আল্লাহর, না বিভিন্ন দেবদেবীর, না গাছ পাথর বা আগুনের,- এইটাই ছিলো প্রশ্ন। কেন করবো টুকু পরে যোগ হয়েছে এবং ইদানীং এটাই প্রাধান্য পাচ্ছে। বস্তুত: মানব সভ্যতার ইতিহাসে আর কোন প্রশ্ন কোন কালেই এর থেকে বড় হয়ে দেখা দেয়নি, এত গুরুত্ব সহকারে বিবেচিত হয়নি এবং আর কোন প্রশ্নের উত্তরে বিভিন্নতার কারণে মানুষের চরিত্রে ও জীবন যাত্রায় এত পার্থক্যও সূচিত হয়নি।
বিশ্বাস আল্লাহর উপর। এই বিশ্বাসের সঙ্গে আনুষঙ্গিক অন্যান্য বিশ্বাসের প্রশ্নও স্বভাবত এসে যায়; যেমন মৃত্যুর পরবর্তী জীবনে বিশ্বাস, আল্লাহর প্রেরিত পুরুষদের প্রতি বিশ্বাস ইত্যাদি। বিশ্বাস কেন করবো প্রশ্নটির মধ্যে দুটো দিক আছে, বিশ্বাসটা যুক্তিযুক্ত কিনা এবং প্রয়োজনীয় কিনা।
আল্লাহর উপর বিশ্বাসের যৌক্তিকতা নিয়ে সীমাহীন আলোচনা হয়েছে এবং হচ্ছে। বিশ্বাসের পক্ষে যুক্তি দেখানো হয়েছে প্রচুর। বিপক্ষে যুক্তির বিশেষ বালাই নেই; আল্লাহর অস্তিত্ব সন্দেহাতীত ভাবে প্রমাণিত হয়নি বললেই খালাস। কিন্তু অবিশ্বাসটা কি সত্যি এত সহজ?
অবিশ্বাসটাও একটা বিশ্বাস, নেতিবাচক বিশ্বাস:
অবিশ্বাসটাও তো আসলে একটা বিশ্বাস, নেতিবাচক বিশ্বাস। একটা সামান্য সূচও কোন নির্মাতা ছাড়া তৈরি হতে পারে বলে যারা বিশ্বাস করেন না, তারাই কেমন করে বিশ্বাস করেন যে এ মহা বিশ্ব একজন নির্মাতা ছাড়াই প্রস্তুত হয়েছে? এই পৃথিবী, চন্দ্র, সূর্য, কোটি কোটি গ্রহ নক্ষত্র যার সীমা সংখ্যা সম্পর্কে মানুষ আজ পর্যন্ত কোন ধারণাই করতে পারেনি, এসব শুধু সৃষ্টি হয়নি, নিয়ম মাফিক যার যার কক্ষপথে চক্কর দিচ্ছে অবিরত, কোন টক্কর লাগছেনা। একটি ঘড়ি ঠিকমত চলার পিছনে যদি একজন দক্ষ কারিগরের হাত থাকা প্রয়োজন হয়, তবে এই মহাবিশ্ব চলার পিছনে কোন কারিগরের হাত নেই কেমন করে বিশ্বাস করা যায়? আচ্ছা যাক, এ সব পুরানো যুক্ত। এগুলো অনেক বার আলোচিত হয়েছে অনেকের কাছে একঘেয়ে বা বিরক্তিকর ঠেকতে পারে। (চলবে)

[ডাঃ সাইয়েদ আফসার মাহমুদের যুক্তির বিচারে আস্তিকতা বই থেকে সংকলিত]

বি:দ্র: লিখাটি বিভিন্ন পর্বে ফেইস বুকে আছে। মন্তব্য ফেবুতে করলে লেখকের জবাব দ্রুত পাবেন।।
https://www.facebook.com/munim.siddiqui?fref=nf
প্রথম পর্ব https://www.facebook.com/munim.siddiqui/posts/10154047873850106
২য় পর্ব- https://www.facebook.com/munim.siddiqui/posts/10154051143355106

1362 জন পড়েছেন

মুনিম সিদ্দিকী

About মুনিম সিদ্দিকী

ব্লগে দেখছি অন্য সহ ব্লগাররা তাদের আত্মপরিচয় তুলে ধরেছেন নিজ নিজ ব্লগে! কুঁজো লোকের যেমন চিৎ হয়ে শোয়ার ইচ্ছা জাগে তেমন করে আমারও ইচ্ছা জাগে আমি আমার আত্মপরিচয় তুলে ধরি! কিন্তু সত্য যে কথা তা হচ্ছে শুধু জন্মদাতা পিতা কর্তৃক আমার নাম আর পরিবারের পদবী ছাড়া আমার পরিচয় দেবার মত কিছু নেই! আমি এক বন্ধ্যা মাটি যেখানে কোন চাষবাস হয় নাই। যাক আমি একটি গান শুনিয়ে আত্মপ্রতারণা বর্ণনা শেষ করছি- কত শহর বন্দরও পেরিয়ে চলেছি অজানা পথে - কালেরও নিঠুর টানে- আমার চলার শেষ কোন সাগরে তা তো জানা নাই! ধন্যবাদ।

Comments

যুক্তির বিচারে আস্তিকতা -১ — ১ Comment

  1. “আমরা মুখে আল্লাহ, নবী এবং ভালো ভালো কথা বলে থাকলেও বাস্তবে নির্দ্বিধায় মিথ্যা কথাও বলে থাকি। যারা আল্লাহ এবং পরকালের বিচারের কথা জানি তারা কেমন করে মিথ্যা কথা বলতে পারে? ঘুষ খাওয়া হারাম জেনেও ঘুষ দেয়া নেয়া করি? চুরি-ডাকাতি, জালিয়াতি, জুয়াচুরি, মার দাঙ্গা ফিতনা ফ্যাসাদ করে যাচ্ছি? আমাদের ছেলে মেয়েরা তা বুঝতে পারেনা?”

    এইটুকু মানুষ হলে তো মানুষই হয়ে যেতাম, ধর্মের নামে আর ভন্ডামী করতাম না! মিথ্যা ধার্মিক সাজারও চেষ্টা করতাম না। সবাইকে ধার্মিক হওয়ার আগে মানুষ হওয়ার দাওয়াত দিন।
    সুন্দর লেখার জন্য ধন্যবাদ। চালিয়ে যান। {54}