কামাল পাশার তুর্কিস্তান, কিবলা হবে হিন্দুস্থান

1768 জন পড়েছেন

ভূমিকা 

এই লেখাটি উলামা সম্পর্কিত কিছু ধারণা নিয়ে। ব্রাহ্মণ্যবাদী শিক্ষা সংস্কৃতি আমাদের আলেম সমাজকে বহুকাল ধরে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে আসছে। এই ধারা আজও অব্যাহত। অনেক নাটক, কবিতা, উপন্যাস, টকশো, ছোটগল্প ইত্যাদিতে ইসলামকে মধ্যযুগীয় উট-ভেড়ির কাল, ও মুসলমানদের সভ্যতা ও সংস্কৃতিকে সেকেলে দেখানো হয়। এই সাথে আলিমগণকে সেই মধ্যযুগে আবদ্ধ, মৌলবাদী, উগ্র, যুগের পরিপন্থী, আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞান বিরোধী ইত্যাদি নেতিবাচক আলোকে দেখানো হয়। আলেমদের ভাবমূর্তীকে ক্ষুণ্ণ করতে ও তাচ্ছিল্যে আনতে ‘মোল্লা’ শব্দ ব্যবহৃত হচ্ছে। যারা এই কাজটি করে আসছেন তাদের ধারণা ও মনোভঙ্গির দিকে তাকালে মনে হবে তারা যেন ‘প্রগতির’ কোনো এক সুউঁচু মার্গে অবস্থান করছেন। আর এই আলেমগণ অধঃগতির কয়েক হাজার মাইল নিচে কালের কোন গহ্বরে আবদ্ধ হয়ে আছেন!

ছি ছি ছি হে পশ্চাৎপদ মোল্লা মৌলভী/তোরা কবে হবি বিজ্ঞানমুখী
গত বছর পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায় নামক এক মহাপণ্ডিতের মনে বিজ্ঞান ও বিদ্বেষের জোয়ার উঠেছিল। তার চোখে মুখে ছিল মোল্লা মৌলভী। ‘মোল্লা-মোল্লা’ বলে চিৎকার করে যা উদ্গার করেছিলেন তা ছিল তারই উগ্রবাদ ও বিদ্বেষ। তার চিৎকারের শিরোনাম ছিল ‘শয়তান’ [১]!

||এই ‘শয়তান’ এর চিৎকারটা আগে শুনে নিন। তারপর পর কথা। (এই ভিডিওটা আগে দেখতে হবে, না হলে অগ্রসর হওয়া যাবে না)। http://www.youtube.com/watch?v=2vx0vMdYrV8 
এখানে বন্দ্যোপাধ্যায় সাহেবের এত উষ্মা ও বিষোদগার কেন? আর বিজ্ঞান বিজ্ঞান বলেকীসের এত চ্যাঁচামেচি? মোল্লারা কি বিজ্ঞান পড়েন না? কাউকে পড়তে বাধা দেন? আর এমন ‘মোল্লা’ কি পাওয়া যাবে না যিনি তার চৌদ্দগোষ্ঠীর চেয়ে বেশি বিজ্ঞান বুঝেন? আর বাদবাকি মোল্লারা কোন দিক দিয়ে তার চেয়ে পশ্চাদমূখী? তার ‘অগ্রগতি’ (প্রগতি) কোন্‌ মহামার্গে? মোল্লারা সমাজকে যদি বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার দিয়ে উন্নত করতে না পেরে থাকেন তবে তিনি কোন্‌ কোন্‌ আবিষ্কার দিয়ে তাদের মোকাবেলায় সমাজকে ধন্য করেছেন? তিনি তো ‘বিজ্ঞানমুখী’।

‘মৌলবাদী’ কারা? আজ যারা মৌলবাদী মৌলবাদী বলে চিৎকার করছে তারাই মূল মৌলবাদী, তাদের আদর্শের। কিন্তু তাদের কথা জুড়ে আছে কেবল মিথ্যাচার আর মিথ্যাচার। ‘আমাদেরকে খুশি না করে চললে, ফতোয়া দেব মুরতাদ’ –এটা আলেমগণ কোন্‌দিন বললেন? নিজেরাই মিথ্যাচার করে এত ছি ছি কেন? আর কবে আলেম সমাজ পানিকে জল আর জিন্দাবাদকে জয় বলায় মুরতাদ ফতোয়া দিলেন? ‘জিন্দাবাদ’ নিয়ে এলার্জি কার? এটাকে রিভার্স করে খেলাটা ‘জয়-বাংলায়’ করা হল কেন? ‘জয়-বাংলা’ কোন্‌ দেশকে নির্দেশ করে? আর কে ‘জল’ খেলো আর কে গো-মাতার পবিত্র পানীয় খেলো তাতে কার কি আসে যায়? এই আলেমগণকে এখন কি করতে হবে? বন্দ্যোপাধ্যায়বর্গ ও তাদের সহযোগীরা যা শিখাবেন, তা’ই বলতে হবে?

কীসব ফালতু মিথ্যাচার! আলেমগণও তো বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাষায় বলতে পারেন, ‘তোমরা কবে হবে বিজ্ঞানমূখী, তোমরা কবে হবে বিদ্বেষ-বিমুখী? এইভাবে ঢাঙাতি করে আর কতকাল কাটাবি? তোমরা কবে আলোর দিকে আসবি? ‘বন্দে মাতরম’ ছাড়া আরও যেসব শব্দ আছে সেগুলোর প্রতি বিদ্বেষ কবে ছাড়বি? ভাষায় তো সবগুলোই শব্দ, এত আক্রোশ কেন? তোমরা কবে মুক্তমনে বলে উঠবি ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’?

আর ইউনুস সাহেবকে পূজনীয় করে মোল্লাদের উপর কেন এত আক্রোশ, এত বিষোদগার? ইউনুস সাহেবের বিপক্ষে তো হাসিনা আর তার দলের লোকজনই বিষোদগার করল, ফতোয়াবাজীও করল। বন্দ্যোপাধ্যায়ের আক্রোশ তো হাসিনা গংদের বিপক্ষে যাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু উলটো ঝাটকিটা আলেমদের উপর কেন? কেন তাদেরকে মৌলবাদী, কপট, মদান্ধ, ধড়িবাজ –এতসব গালিগালাজ? এখন আলেমরা কোন্‌ জিহাদের ডাক দেবেন তাও বুঝি বন্দ্যোপাধ্যায়দের কাছ থেকে শিখতে হবে?

কোন্‌ দাতাতে আলেমগণ ধন্যবাদ না দিতে বললেন? এটা তো এমন হবার মত নয়। কিন্তু কথা হচ্ছে ভারত নিয়ে। ভারত কি কম ধন্যবাদ পেল? আর কীভাবে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হবে? ভারত তো তার নিজ গরজেই পাকিস্তান ভাঙেছিল, যুদ্ধ করেছিল –তাকি নয়? তারপর এদেশ কি লুটেপুটে নেয়নি? শরণার্থীর জন্য বাংলাদেশিরা কি বিদেশ থেকে টাকা দেয়নি? ভারত কি বিদেশি সাহায্য পায় নি? ভারত যদি এতই মুক্তিকামী হবে তবে ভারতের ভিতরেই অনেক প্রদেশ স্বাধীনতা চাচ্ছে ওদেরকে স্বাধীন করে দিলেই হয়। উলটো প্রাণহানী ঘটাচ্ছে কেন? ওদেরকে স্বাধীন করে দিতে তো কোনো যুদ্ধের প্রয়োজন হয় না।

এখন আলিমগণ কি করতে হবে? রাশিয়াপন্থি ক্রাইমিয়ানদের মত ভারতীয় পতাকা তুলে ১৯৪৭-পূর্ব নিখিল ভারত দাবি করতে হবে?

কামাল পাশার তুর্কিস্তান, কিবলা হবে হিন্দুস্থান

ফতোয়ার বিষয়টি এভাবে এত বড় আকারে কেন এল? এদেশের আলেমগণ কি ফতোয়া দিতে পারবেন না? রাজধানীর শাহবাগে এসে মাসে পর মাস আল্লাহ রাসূল নিয়ে অশালীন হীন ভাষায় চিৎকার করবে কিন্তু আলেমগণ কিছুই বলতে পারবেন না? ইসলাম বিদ্বেষীবর্গ যে পরিমাণ অসহিষ্ণুতা দেখাচ্ছেন তা উলটা তাদেরই নাস্তিক-সেক্যুলার আদর্শেরই ‘মৌলবাদ’ ‘জঙ্গি-প্রবণতা’ প্রকাশ করছে। ইদানীং কেউ কেউ কাওমি মাদ্রাসা বন্ধ করে দেবার প্রস্তাব করছেন! এই মাদ্রাসাগুলো যেন তাদের বাপদাদার জমিতে তাদের রায়ত! দেশের শিক্ষামন্ত্রী মাদ্রাসার আলেম উলামাদেরকে দিয়ে রবীন্দ্রসংগীত গাওয়াতে চাচ্ছেন, না হলে মাদ্রাসা বন্ধ করবেন! পতাকা উত্তলিত হতে হবে, লেনিনিদের লাল ও হিন্দুর সূর্যলালের কথা না হয় বাদ দিলাম। ‘তাদের’ ইতিহাস (তাদের ভাষ্য) পড়াতে হবে, এগুলো না হলে মাদ্রাসা বন্ধ! এই সুদূর ব্রিটেনে শত শত মাদ্রাসা হচ্ছে কিন্তু মাদ্রাসায় জাতীয় সংগীত না গাইলে ও পতাকা উত্তলিত না হলে মাদ্রাসা বন্ধের হুমকি আসছে না। এমন কোনো আলোচনাই নেই। কিন্তু বাংলাদেশের সন্ত্রাসী ও জঙ্গি নাস্তিক ও তাদের সহযোগীদের সাহস দেখেন! কাওমি মাদ্রাসা ও জামাতকে জঙ্গি দেখিয়ে চরম নির্লজ্জ জঙ্গিরা ইউরোপ আমেরিকার ঠোঁটে উঠতে চাচ্ছে। কিন্তু বিদেশিদের নিজেদের গোয়েন্দাগিরি বাংলাদেশে রয়েছে। তাই কারা খাটি জঙ্গি-সন্ত্রাসী আর কারা ভিক্টিম তা তারা জানে। জঙ্গিবাদ দূরে থাকুক, হেফাজতি কাওমি মাদ্রাসা পরিদর্শন করে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান মজিনা এই কাওমি শিক্ষা ব্যবস্থার ‘পক্ষে’ সেদিন কথা  বলেছিলেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থার গুরুত্ব রয়েছে। … এখানে বিজ্ঞান ও সাধারণ শিক্ষা দুটোই পাশাপাশি শিক্ষা দেয়া হচ্ছে” [৩]। কিন্তু এতে “অগ্নি-কন্যার” (উপাধি কিন্তু যথার্থ!) অগ্নিতে ফুলকি উঠে। আর তিনি বলেন, “কিছু কিছু কূটনৈতিক দূতাবাসকে নিয়ে আমার মনে প্রশ্ন জাগে … আমি যখন দেখি তারা কোনো জায়গায় গিয়ে বৈঠক করে, মাদ্রাসায় গিয়ে বৈঠক করে। যখন তারা জঙ্গি ও সন্ত্রাসীদের সঙ্গে বৈঠক করে তখন আমার মনে পড়ে যায়, হাসে ডিম পাড়ে, গুইসাপ না না করে, আসলে ডিম খাওয়ার কুয়ারা করে” [৪]।

একটি সরকার অবৈধ, গোটা জাতিতে সামান্য কিছু শতাংশ ছাড়া যাদের কোনো সমর্থন নেই, যারা সন্ত্রাসের মাধ্যমে রাষ্ট্রযন্ত্র কব্জা করে আছে, এমন সরকারের “ইনু” বলছে, ‘জামাত-শিবির নির্মূল হলেই নির্বাচন দেয়া হবে।’ এই গোষ্ঠী কেনো ক্ষমতায় গিয়েছিল এবং কেনো আছে, তা তাদের কথাতেই ধরা পড়ে। প্রাক্তন আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেছিলেন, কওমি মাদরাসাগুলো এখন জঙ্গিদের প্রজনন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। কওমি মাদরাসাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ বিস্তার লাভ করেছে। এসব কওমি মাদরাসায় যে শিক্ষা দেয়া হয়, তা কূপমণ্ডূকতার সৃষ্টি করছে [৫]। এখানে একটার কথা দেখেন, (তবে ক্লিক করেই চোখ বন্ধ করতে হবে, আবদার আছে)! তাদের কেউ কেউ নাকি একাত্তরে ‘লা ইলাহার বিপক্ষে যুদ্ধ করেছিল’। এই গোষ্ঠীর কথা এভাবেও আছে, ‘রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম, বিসমিল্লাহ ও ধর্মভিত্তিক রাজনীতি— এ তিনটির বিরুদ্ধে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ হয়েছে’ (প্রাগুক্ত,৫)। আজকের মূল দ্বন্দ্ব হচ্ছে আদর্শিক দ্বন্দ্ব। ইসলাম তাদের পথে এক অন্তরায়।  ‘দেশে আজ আস্তিক ও নাস্তিকের লড়াই চলছে’ [৬]। এসব আলোচনা করতে গেলে বর্ধিত লেখার দরকার।

ফেনাইয়া উঠে শাহবাগী জ্বালা

নাস্তিক ও তাদের সহযোগীদের জ্বালা বৃদ্ধি পেয়েছে শাহবাগী আন্দোলনের ব্যর্থতা থেকে। শাহবাগী নাস্তিকদের বিপক্ষে যদি এই আলেম-ওলামাগণ সেদিন না দাঁড়াতেন তাহলে অবস্থা কোথায় গড়াত? ব্লগে ব্লগে যা কিছু ছিটে-ফোটে লেখা বেরিয়েছিল তাতে কোনো পানিধার দেয় নি। বিগত বছরগুলো ব্যাপী শাহবাগী ও শাহবাগী ধাঁচের যোদ্ধারা যেভাবে তাদের শক্তি প্রদর্শন করে যাচ্ছিল তা হঠাৎ হেফাজতিদের হাতে প্রকম্পিতভাবে ধাক্কা খায়। এক নাস্তিক অক্কা পেলে অনেক ফাসিক ফাজের রেডিও-টিভিতে এসে নিজেদের ইসলাম জাহির করেছিল। বলতে দেখা গেয়েছিল তাদের কেউ কেউ নাকি তাহাজ্জুদের নামাজও পড়ে। মাশাল্লাহ পড়লে তো ভাল। এর পর থেকে অবস্থা পালটে। প্রথম দিকের চিল্লাচিল্লি সামলায়ে শব্দ-চয়ন ও ব্যাখ্যায় অনেক পরিবর্তন দেখা দেয়। অনেকের কথাবার্তায় মাশাল্লাহ, ইনশাল্লাহ শুনা যায়। তবে এর পিছনে আরও কারণ থাকতে পারে। মরণে ‘দাফন’ পাওয়ার ব্যাপারটা এড়ানো মুস্কিল।

উলামা একটি প্রতিষ্ঠান

লক্ষণীয় যে এদেশের যে আলেম-উলামদের উপর সেই ঊনবিংশ শতাব্দী থেকে ষ্টীম-রলার চলছে সেই আলেমরা দাঁড়িয়ে যাওয়াতে শাহবাগীকূলের টনক নড়েছিল। শাহবাগীরা ছিল রাষ্ট্র-শক্তি কর্তৃক সশস্ত্র নিরাপত্তার চারি চত্বরে বেষ্টিত। আর এই নিরীহ আলেমগণের হাতে না ছিল বন্দুক, না ছিল কামান, আর না ছিল বোমা-বারুদ। হাতে প্রধানত ছিল জায়নামাজ আর তাসবিহ। কিন্তু কী দেখা গিয়েছিল? কাপুরুষের মত রাতের গভীরে চলেছিল ওদের উপর আক্রমণ আর গুলি বর্ষণ। নাস্তিকদের ভীতির কারণ ছিল আলেমগণের প্রাতিষ্ঠানিক শক্তি, বিশ্বাস-কেন্দ্রিক শক্তি, সমাজে ওদের গ্রহণীয়তার শক্তি এবং তাদের কালীন, তাদের পুরানো “প্রাতিষ্ঠানকতা” (institution-base)।

‘আলেম-উলামা’ বলতে যে বাস্তবতা নির্দেশ করে তা সার্বিকভাবে প্রাতিষ্ঠানিক (institutional)। এই ধারণা অতি প্রাচীন। কাফের মুনাফিক সম্প্রদায় এই শক্তিকেই ধ্বংস করতে চায়। আর এজন্যই এই প্রতিষ্ঠানের উপর তাদের সাড়াশি আক্রমণ। তারা চায় মানুষের আস্থা ও ধারণা এখানে মলিন হোক, তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য হোক। এই প্রচেষ্টা চলছে শত শত বছর ধরে। বর্তমান সরকার হচ্ছে সেই ধারায় এক ‘শীর্ষবিন্দু’।

রেফারেন্স

[১] Rashidul Bari, (2013), Vande Mataram, Bangladesh — Rashidul Bari, YouTube, 13 March, accessed 07/03/2014, available at http://www.youtube.com/watch?v=2vx0vMdYrV8

[২] ছানু মিয়া, (২০১৪). হবিগঞ্জের রিচি গ্রামের হাফেজ নুরুজ্জামানের কৃতিত্ব তেল, গ্যাস ব্যতীত সম্পূর্ণ বাতাসে চালিত মোটর সাইকেল আবিস্কার, হবিগঞ্জ এক্সপ্রেস [অনলাইন], ৬ মার্চ, প্রাপ্তব্যস্থান, http://www.habiganjexpress.com/?p=7815

[৩] কেএম ছিদ্দিক, (২০১৪). বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে মাদ্রাসা শিক্ষার গুরুত্ব রয়েছে: ড্যান মজিনা, আমাদের সময় [অনলাইন],  অনুপ্রবেশ ২৬/০২/১৪ প্রাপ্তব্যস্থান। http://www.amadershomoyi.com/content/2014/02/26/news0816.htm

[৪] তফাজ্জল হোসেন, (২০১৪). কিছু কিছু দূতাবাসকে নিয়ে মনে প্রশ্ন জাগে: মতিয়া, আমাদের সময় [অনলাইন], অনুপ্রবেশ ২৬/০২/১৪ প্রাপ্তব্যস্থান), http://www.amadershomoyi.com/content/2014/02/26/news0813.htm

[৫] মাহমুদুর রহমান, (২০১৩). দু’হাজার বছর পরও নিরোরা বাঁশি বাজায়, আমারদেশ [অনলাইন] ৬ মার্চ, প্রাপ্তব্য স্থান, http://www.amardeshonline.com/pages/printnews/2013/03/06/190769

[৬] শীর্ষ নিউজ ডটকম (২০১৪). দেশে আজ আস্তিক ও নাস্তিকের লড়াই চলছে, শীর্ষ নিউজ ডটকম [অনলাইন] ৬ মার্চ, প্রাপ্তব্যস্থান, http://www.sheershanews.com/2014/03/06/28300

1768 জন পড়েছেন

About এম_আহমদ

প্রাবন্ধিক, গবেষক (সমাজ বিজ্ঞান), ভাষাতাত্ত্বিক, ধর্ম, দর্শন ও ইতিহাসের পাঠক। বসবাস: বার্মিংহাম, ইউকে। দেশের বাড়ী: দেউলগ্রাম (উত্তর), বিয়ানী বাজার। Monawwarahmed@aol.com

Comments

কামাল পাশার তুর্কিস্তান, কিবলা হবে হিন্দুস্থান — ১ Comment