আমরা নিরাশ হতে চাই না

2089 জন পড়েছেন

বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক সঙ্কট অতলান্ত গভীরতায় গিয়ে পৌঁছেছে। এরপরও এই সঙ্কট অধিকতর গভীরতায় পৌঁছবে কিনা বলতে পারি না। কারণ অতলান্ত গভীরতা মানেই যার তল বা গভীরতা নির্ণয় করা যায় না। এই সঙ্কট নিয়ে আমি আরও একটি উপমা ব্যবহার করে থাকি। উপমাটি হলো গিরিখাতের চূড়ান্ত কিনারায় উপনীত হওয়া। এরপর পা ফসকালে গিরিখাতের গভীরতায় পড়ে যেতে হবে, যা থেকে আর কোনো নিস্তার নেই। ক’দিন আগে ভারতীয় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল, বাংলাদেশে গৃহযুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ছে। বাংলাদেশে এখন যে পরিস্থিতি চলছে তাকে গৃহযুদ্ধ বললে অতিশয়োক্তি করা হবে। এ পর্যন্ত রাজনৈতিক সংঘাতে দেড় শতাধিক মানুষের প্রাণ ঝরে গেছে। এদের অধিকাংশেরই মৃত্যু ঘটেছে পুলিশের গুলিতে। সংঘর্ষে পুলিশও মারা গেছে।

বিক্ষুব্ধ জনতা নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করেছে সেরকম কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায় না। তবে অতীত দিনের বিক্ষোভগুলোর মতোই তারা পুলিশের বিরুদ্ধে ইটপাটকেল, বাঁশের লাঠি বড়জোর ককটেলের ব্যবহার করতে পারে। এবারকার বিক্ষোভের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো স্বল্পতম সময়ের মধ্যে অনেক লোকের মৃত্যু। ব্রিটিশ আমলে জালিয়ানওয়ালাবাগের হত্যাকা-ের পর এত বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষকে এত অল্প সময়ের মধ্যে প্রাণ দিতে হয়নি। এই ঘটনার মধ্য দিয়ে বর্তমান সরকারের চরম অসহিষ্ণুতা ও ফ্যাসিবাদী রূপটি ফুটে উঠেছে। সরকার ভুলে গেছে যে, দমনপীড়নের রাস্তায় কোনো রাজনৈতিক সমস্যার সমাধান হয় না। রাজনৈতিক সমস্যার সমাধানের জন্য রাজনৈতিক পন্থাই বেছে নিতে হবে। বেসামাল উক্তি, দায়িত্বহীন মন্তব্য কিংবা উস্কানিমূলক কথা বলে সমস্যার সমাধান খুঁজে পাওয়া যায় না। একটা কথা আছে, কথায় কথা বাড়ে। কাজেই অপ্রয়োজনীয় কথা বলে পরিস্থিতিকে ঘোলাটে ও জটিল করে তোলার কোনো মানে হয় না। অতীত বর্তমান ভবিষ্যতের সব সরকারের জন্যই সংযমের এই পথটি বেছে নেয়া বাঞ্ছনীয়।

কারণ যে মানুষটি হারিয়ে যায় তাকে আর কখনও ফেরত দেয়া যায় না। মানুষের জীবনের চাইতে অধিকতর মূল্যবান আর কিছু নেই। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে, বিক্ষিপ্ত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে গিয়ে গুলির ব্যবহার করা হয়েছে নির্বিচারে। অথচ গুলিবর্ষণ করতে বাধ্য হলেও পুলিশকে ধাপে ধাপে সুনির্দিষ্ট কয়েকটি নিয়মবিধি অনুসরণ করতে হয়। কার্যত এসব নিয়মবিধির কথা বলা অবান্তর হয়ে গেছে। সিরিয়াতে আসাদ সরকারবিরোধী বিক্ষোভের সূচনালগ্নে পশ্চিমা মিডিয়ায় সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে অসম পরিমাণে শক্তির ব্যবহারের অভিযোগ তোলা হয়েছিল। আজ সিরিয়াতে পরিস্থিতির এতই অবনতি ঘটেছে, এখন আসাদ সরকার ও তার প্রতিপক্ষরা অস্ত্রবলে কেউ কারও চাইতে কম যায় না। সিরিয়া থেকে প্রাণ বাঁচাতে ১০ লাখ লোক ভিনদেশে আশ্রয় নিয়েছে। এরা শরণার্থী শিবিরে মানবেতর জীবনযাপন করছে। আসাদ সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যেমনি উঠেছে তেমনি অভিযোগ আসাদবিরোধীদের বিরুদ্ধেও উঠেছে। সেভ দ্য চিলড্রেন আসাদবিরোধীদের বিরুদ্ধে শিশু-কিশোর সৈনিক ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছে। সুতরাং দেখা যাচ্ছে একটি দেশে গৃহযুদ্ধ যে কত ট্র্যাজিক হতে পারে সিরিয়াই তার সর্বশেষ উদাহরণ।

বাংলাদেশকে যে কোনো মূল্যে সিরিয়া ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে হবে। সব পক্ষকেই বুঝতে হবে, এ ধরনের পরিস্থিতি একটি দেশকে জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে ছারখার করে দিতে পারে। আমরা তাই বাংলাদেশে আর একফোঁটা রক্ত ঝরুক তা চাইতে পারি না।
বাংলাদেশে চলমান রাজনৈতিক সঙ্কটের উৎপত্তি কোথায় এবং কীভাবে সেই কাহিনী সবার কমবেশি জানা আছে। তবে সঙ্কটের মূলে রয়েছে যুক্তির চাইতে অযৌক্তিক একপেশে মনোভাবকে গুরুত্ব দেয়া। সহজ ভাষায় যাকে বলা হয় গোঁয়ার্তুমি। বাংলাদেশে এই সঙ্কটের সূচনা হয় সংবিধান থেকে নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিধানটি তুলে দেয়ার ফলে। এই বিধান তুলে দেয়ার পেছনে আদালতের রায়কে ব্যবহার করা হয়েছে। কিন্তু সে রায়ও ছিল বিভক্ত রায়। আদালতের এমিকাস কিউরিদের বেশিরভাগ এবং সংসদের সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত কমিটির কাছে অধিকাংশ নাগরিক সমাজের সদস্যরা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিধান বহাল রাখার পক্ষে মত দিয়েছিলেন।

এমনকি এই কমিটির মতও ছিল এই বিধান বহাল রাখার পক্ষে। কিন্তু সবকিছু ওলটপালট হয়ে গেল মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এ সংক্রান্ত অভিমতের পর। তিনি বললেন, আদালতের রায়ের পর পেছনে ফিরে যাওয়ার কোনো পথ নেই। জাতি বেপথু হলো। প্রধান বিরোধী দলসহ অন্যান্য অনেক দল এর বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করল। কিন্তু সরকার কোনোরূপ ছাড় দিতে চাইল না। মন্ত্রী অমাত্যদের গলার স্বর উঁচু হতে শুরু করল। মাসখানেক আগে মানবতাবিরোধী অপরাধ ট্রাইব্যুনালের একটি রায়কে কেন্দ্র করে শাহবাগে গণজাগরণ মঞ্চ গঠিত হলো। তারা সব ধরনের রাষ্ট্রীয় আনুকূল্য পেল। এই মঞ্চ থেকে এমন সব ধ্বনি উঠতে শুরু করল যে, বিচার বিভাগের বিচারিক প্রক্রিয়া সুস্থভাবে চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে কিনা সে বিষয়ে অনেকে প্রমাদ গুনলেন। শাহবাগের মঞ্চওয়ালাদের সঙ্গে সরকারি দলের অনেক নেতা ও সংসদ সদস্য সংহতি প্রকাশ করল। প্রথম দিকে দু’চারজন সরকারি নেতা সংহতি প্রকাশ করতে গিয়ে নাজেহাল হলেও ধীরে ধীরে মঞ্চটি শাসক দলের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে বলেই অনেকে এখন নিশ্চিত।

শাহবাগ মঞ্চের নেতৃত্বের স্বরূপ নিয়েও দেশ আজ বিভক্ত হয়ে পড়েছে। অনেকেই মনে করেছিলেন রাজধানীতে যানজটের সমস্যা সত্ত্বেও এই মঞ্চের কর্মকা- নির্বাচন অবধি চালিয়ে নেয়া হবে। অনেক বিশ্লেষকের মতে মঞ্চটি সরকারের অনেক ব্যর্থতা ও দুর্নীতিকে লোকচক্ষু থেকে আড়াল করতে সক্ষম হয়েছে। সর্বশেষ পরিস্থিতি হলো চট্টগ্রাম অভিমুখী মঞ্চ-নেতাদের গাড়ির বহর ফেনিতে আটকে দিয়ে ঢাকায় ফেরত পাঠানো হয়েছে। এটাই হলো পরিস্থিতির একটি সংক্ষিপ্ত বর্ণনা। এছাড়া আরও বহু বিষয় রয়েছে যেগুলোকে কেন্দ্র করে আরও অনেক কথা বলা যেত। সেসব বিস্তারিত খুঁটিনাটি দেশবাসীর জানা আছে। পবিত্র ধর্ম ইসলাম ও মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)’র অবমাননাকে কেন্দ্র করে অস্থির অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। মোদ্দা কথা, দেশ আজ খাড়াখাড়ি বিভক্ত হয়ে পড়েছে। জাতীয় ঐক্য যেখানে আমাদের অভীপ্সা সেখানে এই খাড়াখাড়ি বিভক্তি কারোরই কাম্য হতে পারে না। এই বিভক্তিকে অতিক্রম করে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজন রাষ্ট্রনায়কোচিত নেতৃত্ব।

প্রশ্ন উঠেছে এই সঙ্কটের কি কোনো সমাধান নেই। কেউ মনে করেন খুব দুরূহ হলেও আছে, আবার কেউ কেউ মনে করেন সুড়ঙ্গের শেষে কোনো আলো নেই। সবই ঘুটঘুটে অন্ধকার। হিসাব অনুযায়ী আগামী ৭ মাসের মধ্যে নির্বাচন হতে হবে। নির্বাচন কী প্রক্রিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে সে সম্পর্কে একটি সমাধান অনতিবিলম্বে আসা উচিত। দেশের ভেতরে ও বাইরে অনেকেই মনে করেন একটি আন্তরিক সংলাপ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান হতে পারে। কিন্তু সংলাপের জন্য যে পরিবেশ দরকার সে ধরনের পরিবেশ দৃষ্টিগোচর হচ্ছে না। বিরোধী জোট বিএনপির একটি সভা পুলিশের হস্তক্ষেপে বানচাল করে দেয়া হয়েছে। সেদিন বেশকিছু বিএনপির সিনিয়র নেতা গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এবং হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এই ধরনের ঘটনা অনভিপ্রেত, অবাঞ্ছিত এবং অকল্পনীয়। এরপর বিএনপি যখন তার কার্যালয়ের সামনে আরেকটি জনসমাবেশ করতে গেল তখনও কয়েকটি ককটেল ফোটার অভিযোগে পুলিশি হস্তক্ষেপ হলো এবং পুলিশ বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হানা দিয়ে যথেচ্ছাচার করল। বিএনপি কার্যালয় থেকে দেড় শতাধিক নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হলো, এদের মধ্যে মাত্র ৩ জনকে পরের দিন ছেড়ে দেয়া হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস দমন আইনে মামলা করার কথা শোনা গেছে।

অন্যদিকে সংলাপ নিয়ে সরকারের ৩ উচ্চপদস্থ ব্যক্তি যেসব মন্তব্য করেছেন তাতে মনে হয় না সরকার সংলাপে আগ্রহী। শর্ত দেয়া হচ্ছে বিএনপিকে জামায়াতের সংশ্রব ত্যাগ করতে হবে। কিন্তু কেন এমন শর্ত? জামায়াত কি নিবন্ধিত দল নয়? জামায়াত যদি সত্যি সত্যিই অবাঞ্ছিত দল হয় তাহলে সরকারই তো পারে তাকে নিষিদ্ধ করে দিতে। সরকারের দিক থেকে এই ধরনের রাজনৈতিক কূটচাল কেন? এদেশে ক্ষমতা প্রত্যাশী সব দলই অতীতে ভোটের অঙ্ক কষেছে এবং ভবিষ্যতেও কষবে। একটি সংসদীয় ব্যবস্থায় এরকম ঘটতেই পারে। যারা রাজনীতি করেন তারা গৌতম বুদ্ধের মতো শতভাগ আত্মসংযমের নীতি গ্রহণ করেন না। এই বাস্তবতাকে মনে রেখেই এগুতে হবে। কিছুদিন আগে যখন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম যে কোনো জায়গায় বিএনপির সঙ্গে সংলাপ হতে পারে বলে মন্তব্য করেছিলেন তখন আমরা অনেকেই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছিলাম। অনেকে আশাবাদী হয়ে উঠেছিলেন। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেভাবে বিএনপিকে সংজ্ঞায়িত করলেন তারপর সেই আশাও তিরোহিত হয়ে যায়। কিন্তু মানুষ আশার মধ্য দিয়েই বাঁচতে চায়। যে কোনো মূল্যে হোক, আশার প্রদীপটি জ্বালিয়ে রাখতে হবে।

এতকিছুর পরও অনেকে সংলাপ চাইছেন। সংলাপ অনুষ্ঠিত হওয়া অবশ্যই জরুরি। কিন্তু সেটি কোনোক্রমেই একটি নিষম্ফল সংলাপ হতে পারে না। সংলাপ যাতে আশাবাদের অভিব্যক্তির মধ্য দিয়ে শুরু হতে পারে তার জন্য প্রয়োজন সহায়ক পরিবেশ। এই সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত হতে পারে যদি সংলাপের একটি সুনির্দিষ্ট এজেন্ডা থাকে। এজেন্ডাটি হবে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রূপরেখা প্রণয়ন। দ্বিতীয়ত, পরিবেশকে সহায়ক করে তোলার জন্য বিরোধী রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের মুক্তি দেয়া। পাকিস্তানি আমলে ১৯৬৯ সালে রাজনৈতিক সঙ্কট কাটিয়ে ওঠার জন্য প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান গোলটেবিল বৈঠক ডেকেছিলেন। তার আগে সব রাজবন্দিকে মুক্তি দেয়া হয়েছিল। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছিল। গোলটেবিল বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেই বৈঠকে বাংলাদেশের স্থপতি শেখ মুজিবুর রহমানও অংশগ্রহণ করেছিলেন। আমার মনে আছে ২২ ফেব্র“য়ারি ১৯৬৯ আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে মুক্ত হওয়ার পরদিন শেখ মুজিবুর রহমানকে রেসকোর্সে গণসংবর্ধনা দেয়া হয়েছিল। সেদিনকার সংবর্ধনা সভায় আমার বক্তব্য পেশের সুযোগ হয়েছিল। আমি আমার বক্তব্যে গোলটেবিল বৈঠক সম্পর্কে কঠোরভাবে নেতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছিলাম।

মরহুম শেখ মুজিবুর রহমান তার বক্তব্যে বলেছিলেন, আমি গোলটেবিল বৈঠকে যাব না কেন? আমি কি আইয়ুব খানকে ডরাই? আমি সেখানে বাংলার মানুষের দাবি পেশ করব। ৬ দফা ও ১১ দফার কথা বলব। যা হোক, সেসব এখন ইতিহাসের অংশ। সেই গোলটেবিল বৈঠকে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হতে পারেনি। বৈঠকের ব্যর্থতার পরপরই আইয়ুব খান সিদ্ধান্ত নিলেন ক্ষমতা থেকে সরে দাঁড়ানোর। জেনারেল ইয়াহিয়ার নেতৃত্বে ২৪ মার্চ ১৯৬৯ পাকিস্তানে দ্বিতীয়বারের মতো সামরিক শাসন জারি হয়। এই সামরিক শাসনের মধ্য দিয়েই পাকিস্তান রাষ্ট্রটি দ্বিখ-িত হয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়। ইতিহাসের এই অভিজ্ঞতার আলোকে আমার মতো একজন ক্ষুদ্র ব্যক্তির মিনতি হলো, একটি সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টি করে সংলাপে বসতে হবে। মন্ত্রী বাহাদুরদের অতিকথন পরিত্যাগ করতে হবে এবং অবশ্যই সর্বজনগ্রহণযোগ্য সমাধানে পৌঁছতে হবে। যার ফলে বাংলাদেশে সব রাজনৈতিক দল আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে। অন্যথায় টানেলের শেষে ঘুটঘুটে অন্ধকার থেকেই যাবে। আমরা নিরাশ হতে চাই না।
লেখক : অধ্যাপক, অর্থনীতিবিদ

 

2089 জন পড়েছেন

Comments are closed.