সুরা আল ফুসিলাত এ কি আসলেই বৈজ্ঞানিক ভাবে কোন ভুল তথ্য দেয়া আছে ??

কিছুদিন আগে আমার এক নাস্তিক ফেসবুক ফ্রেন্ড  ফেসবুকে  একটা নোট লিখেছিলেন আর সেই নোট এ তিনি উল্লেখ করেছিলেন নিম্নলিখিত কিছু কথা।

“আধুনিক যুগে ধর্মকে বিজ্ঞানসম্মত এবং মিরাকলে পরিপূর্ণ হিসেবে তুলে ধরতে ধার্মিকদের চেষ্টার অন্ত নেই। একসময় বাইবেলকে বিজ্ঞানসম্মত হিসেবে জাহির করতে চার্চ এবং ইভানজেলিকান খ্রিষ্টানদের নানা অপচেষ্টার কথা সম্পর্কে আমরা সবাই অবগত। এরই ধারাবাহিকতায় ইসলামের এক শ্রেণীর ডিজিটাল মুমিনের জন্ম হয়েছে যারা বিজ্ঞানের সাথে কোরআনের মিল খুঁজে কোরআনকে আল্লাহ্‌র বানী হিসেবে প্রমাণের জন্য সবরকম চেষ্টা করে যাচ্ছে। এদের মূল কাজ বিভিন্নভাবে অর্থের কারসাজি এবং তিল কে তাল করে কোরআনকে একটি আশ্চর্য গ্রন্থ হিসেবে জাহির করা যেটি একমাত্র সৃষ্টিকর্তা ছাড়া ১৪০০ বছর আগে আর কারও পক্ষে প্রবর্তন করা সম্ভব নয়।”

 

প্রথমত আমি কখনই কুরআন আর বিজ্ঞান নিয়ে টানাহেঁচড়া করা পছন্দ করি না। কেননা ধর্ম থেকে বিজ্ঞান কে পৃথক রাখা হোক আর দর্শন আর বিজ্ঞান এক না পুরোপুরি সেটা আমার অভিমত।

তবে কেউ যদি সেই বিজ্ঞান কে ব্যবহার করেই কুরআন কে অবৈজ্ঞানিক প্রমাণ করার চেষ্টা করে তবে তাকে জবাব দেয়া আমি জরুরি মনে করি

 

 

তো এরই ফলশ্রুতিতে তিনি সুরা হামিম সিজদা বা সুরা আল ফুসিলাত এর ৪১ঃ১১ নাম্বার আয়াত টাকে উল্লেখ করেন এবং মুসলিম দের উদ্দেশ্য করে বলেন যে তারা শুধু এই আয়াত টাকে আলাদা করে দেখিয়ে কুরআন এর বৈজ্ঞানিক মিরাকল প্রচার করে কিন্ত এক্ষেত্রে আয়াত এর যে সেট বা সমন্বয় আছে সেটা দেখালে নাকি সবার বিশ্বাস একেবারে টলে যাবে কেননা এই আয়াত গুলো নাকি বৈজ্ঞানিক ভুলে পরিপূর্ণ।

এই কথা বলতে গিয়ে তিনি আরও উল্লেখ করেছেন

“কোন আয়াত নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হলে মুসলিম অ্যাপোলজেটিকরা দাবী করে থাকেন কোরআনে একটা আয়াতের প্রেক্ষাপট বুঝতে হলে তার আশে পাশের আয়াতগুলোও দেখতে হয়। আমি সূরা আল ফুঁসিলাতের ৯ থেকে ১২ নম্বর আয়াত তুলে ধরছি”

 

আচ্ছা ঠিকাছে দেখা যাক সেই আয়াত গুলো

Say, “Do you indeed disbelieve in He who created the earth in two days and attribute to Him equals? That is the Lord of the worlds.”— (41:9)(Sahih International)

 

And He placed on the earth firmly set mountains over its surface, and He blessed it and determined therein its [creatures’] sustenance in four days without distinction – for [the information] of those who ask. —- (41:10)

(Sahih International)

 

Then He directed Himself to the heaven while it was smoke and said to it and to the earth, “Come [into being], willingly or by compulsion.” They said, “We have come willingly.”– (41:11)(Sahih International)

 

And He completed them as seven heavens within two days and inspired in each heaven its command. And We adorned the nearest heaven with lamps and as protection. That is the determination of the Exalted in Might, the Knowing. — (41:12)(Sahih International)

 

এখানে সবথেকে বড় যে যুক্তি দুইটা তিনি দেখিয়েছেন তার ভাষ্যমতে সেটা হচ্ছে যেহেতু এখানে and বা এবং এর উল্লেখ আছে সে কারনে এরা একটা ধারা বা Sequence Maintain করছে

 

আর তার দ্বিতীয় যুক্তিটা ছিল এই যে এখানে যেহেতু ‘সুম্মা’ শব্দটা ব্যবহার করা হয়েছে সে কারণেই এরা একেবারে পরে পরে সজ্জিত হয়ে গেছে এবং এটাই নাকি প্রমান করে যে মহাবিশ্ব তৈরি হবার আগেই পৃথিবী তৈরি হয়েছে। তো তার প্রথম যুক্তিটা দেখা যাক

 

তো এই ক্ষেত্রে আমরা আর কোথাও না বরং সরাসরি কুরআন থেকেই দেখি যে আসলে and ব্যবহার সেখানে বাধ্যতামূলক কিনা।

Muhsin Khan

Say (O Muhammad SAW): “Do you verily disbelieve in Him Who created the earth in two Days and you set up rivals (in worship) with Him? That is the Lord of the ‘Alamin (mankind, jinns and all that exists).(41:9)

 

 

He placed therein (i.e. the earth) firm mountains from above it, and He blessed it, and measured therein its sustenance (for its dwellers) in four Days equal (i.e. all these four ‘days’ were equal in the length of time), for all those who ask (about its creation)(41:10)

 

Thereafter( তদনুযায়ী) He leveled Himself (How He did so is beyond human understanding) to the heaven (while) it was smoke, then said to it and to the earth, “Come up (you two) willingly (Or: in obedience ) or unwillingly!” They (both) said, “We come up willingly.”(41:11)

 

Dr. Ghali

So He decreed them as seven heavens in two days, and He revealed in every heaven its Command. And We have adorned the lowest heaven with lamps, and (set Angels) preserving them. That is the determining of The Ever-Mighty, The Ever-Knowing.

 

এর পরে ইউসুফ আলি এর অনুবাদ টা দেখা যাক

 

Yusuf Ali

Say: Is it that ye deny Him Who created the earth in two Days? And do ye join equals with Him? He is the Lord of (all) the Worlds.(41:9)

He set on the (earth), mountains standing firm, high above it, and bestowed blessings on the earth, and measure therein all things to give them nourishment in due proportion, in four Days, in accordance with (the needs of) those who seek (Sustenance).(41:10)

Moreover He comprehended in His design the sky, and it had been (as) smoke: He said to it and to the earth: “Come ye together, willingly or unwillingly.” They said: “We do come (together), in willing obedience.”(41:11)

So He completed them as seven firmaments in two Days, and He assigned to each heaven its duty and command. And We adorned the lower heaven with lights, and (provided it) with guard. Such is the Decree of (Him) the Exalted in Might, Full of Knowledge.(41:12)

 

তাহলে আমার কথাটা হচ্ছে এই যে এই ক্ষেত্রে যদি and শব্দটি ব্যবহার বাধ্যতামূলক হয় এবং এর দ্বারা Sequence of order ই রাখা হয় তাহলে অন্যান্য এত অনুবাদক এটাকে একেবারে প্রতিটা ক্ষেত্রে কেন ইউজ করলেন না ? তারা তো অনেক আগেই কুরআন অনুবাদ করেছিলেন তাদের তো এটা মাথায় থাকার কথা না যে ভবিষ্যতে এটা নিয়ে বিজ্ঞান অবিজ্ঞান এর ঝড় উঠবে ???

নাকি তারাও  আসলে ছিলেন পেট্রোডলার খোর একদল ডিজিটাল মুমিন ????

 

তারমানে কি এখানে কুরআন কোন  definit order of sequence পোষণ  করেছে ???

এক কথায় বলে দেয়া যায় যে না

কিন্ত কিভাবে বলা যায় যে না ??

 

আচ্ছা দেখা যাক

 

কেননা প্রথম কথা এখানে কোথাও বলে দেয়া নাই একেবারে ডেফিনিট ভাবে যে তিনি প্রথমে এটা করেছেন দ্বিতীয় অংশে তিনি এটা করেছেন তৃতীয় অংশে তিনি এটা করেছেন চতুর্থ অংশে এটা করেছেন পঞ্চম আর ষষ্ঠ অংশে এটা করেছেন। আমি এটা উপরেই দেখিয়েছি কিছুটা তো এখন সাধারন ভাবে দেখা যাক যে এই আয়াত সমুহ আসলেই ক্রমান্বয়ে বা COMPLETE SEQUENTIAL ACCOUNT হলে কি হত

প্রথমত ছয়টা পর্যায়ে সৃষ্টি এর কথা কুরআন এ এমনিতেই বলা  আছে  (7:54, 10:3, 11:7, 25:59, 32:4, 57:4, 50:38) এই আয়াত সমূহে।

তাহলে যেখানে এই সৃষ্টি এর বর্ণনা আরও অনেক ক্ষেত্রেও এসেছে তাহলে আমরা শুরু কোনটাকে ধরব ???

যদি ৪১:৯ ই এই ধারা এর সূচনা হত তাহলে এখানে ছয় দিনের সৃষ্টি এর কথাটা আসা কিন্ত স্বাভাবিক ছিল কিনা ??

কিন্ত আফসোস এই যে এখানে এরকম কিছু প্রথম আয়াতে উল্লেখ করাই হয়নি। তবে এটা অনেকেই বলতে পারে যে এটা যদি নাও থাকে তাহলেই বা কি ভাবে এটা প্রমাণ করা যাবে না যে এই আয়াত টা সূচনা ??

তাহলে তাদের কাছে আমার উত্তর হচ্ছে এই যে

আপনি কি কখনও ডেফিনিট সিকোয়েন্স হিসেবে এই আয়াত সমূহ কে  যোগ করে দেখেছেন ??

কেউ যদি এই আয়াত সমূহকে যোগ করে তাহলে কি হতে পারে সেটা answering christianity থেকে তুলে দিচ্ছি আমি

 

//Wait it gets better, the Quran did not intend for these verses to be interpreted sequentially because if one does the math the periods add up to eight and not six (2+4+2), thus, rendering these verses a mere description of non-sequential overlapping events. Surely, Allah could count to six. Hence, because we have overlapping events we must take this into account when we try to put together an account//

 

হয়ত অনেকে বলবেন এটা কুরআন এর আরেকটা ভুল। কিন্ত আমি বলব যে আচ্ছা যে সৃষ্টিতত্ত্ব ব্যাখা করতে পারে(হোক সেটা প্যাগান অথবা অন্য কোন ধর্মের গ্রন্থ এর) সে কি ছয় পর্যন্ত গুনতে জানত না ?? আর যদি কেউ বলে যে না  এটা ঠিক না। তাহলে তার সাথে কথা বলার দরকার নেই সে আসলেই চরম ইসলাম বিদ্বেষী মানুষ।তার ইসলাম বিদ্বেষ এর কোন ভালো যুক্তি বা ভিত্তি নেই।

 

আরও অনেকে বলেন এখানে ছয়দিন বলতে নাকি চব্বিশ ঘণ্টা এর দিন বোঝানো হয়েছে তাদের উদ্দেশ্যে আমি এই আয়াত এর দিনবাচক আইয়াম শব্দটাকে তুলে দিচ্ছি আর এর অর্থও তুলে দিচ্ছি এখানে দিন বোঝাতে يَوْمَيْنِ(yamu) বা বহুবচন ব্যবহার

করা হয়েছে যার সবথেকে সঠিক অর্থি  The serise of time এর প্রমাণ স্বরূপ আমি দুইটা আয়াত তুলে দিচ্ছি

 

يُدَبِّرُ الْأَمْرَ مِنَ السَّمَاءِ إِلَى الْأَرْضِ ثُمَّ يَعْرُجُ إِلَيْهِ فِي يَوْمٍ كَانَ مِقْدَارُهُ أَلْفَ سَنَةٍ مِّمَّا تَعُدُّونَ

Transliteration

Yudabbiru al-amra mina assama-iila al-ardi thumma yaAAruju ilayhi fee //yawmin// kanamiqdaruhu alfa sanatin mimma

taAAuddoon

এখানে কিন্ত ঠিক সেভাবেই আইয়াম বা ইয়ামু শব্দটির ব্যবহার আছে কিন্ত সেটা দ্বারা কি বোঝানো হয়েছে ?

He arranges [each] matter from the heaven to the earth; then it will ascend to Him in a Day, the extent of which is a thousand years of those which you count.

 

অনুবাদঃ তিনি আকাশ থেকে পৃথিবী পর্যন্ত সমস্ত কর্ম পরিচালনা করেন, অতঃপর তা তাঁর কাছে পৌছবে এমন এক দিনে, যার পরিমাণ তোমাদের গণনায় হাজার বছরের সমান

 

তাহলে এখানে দিন বলতে কি ২৪ ঘণ্টার দিন কে  বোঝান হয়েছে ?

 

এরপরেও কেউ যদি সেটা না বুঝতে চায় তাহলে নিচের আয়াত টা পড়ে নেবার অনুরোধ থাকল

تَعْرُجُ الْمَلَائِكَةُ وَالرُّوحُ إِلَيْهِ فِي يَوْمٍ كَانَ مِقْدَارُهُ خَمْسِينَ أَلْفَ سَنَةٍ

Transliteration

TaAAruju almala-ikatu warroohuilayhi fee //yawmin// kana miqdaruhu khamseena alfasana

ফেরেশতাগণ এবং রূহ আল্লাহ তা’আলার দিকে উর্ধ্বগামী হয় এমন একদিনে, যার পরিমাণ পঞ্চাশ হাজার বছর।

 

একারণেই কারো কারো যে অনুমান যে এখানে ছয়দিন বোঝাতে ২৪ ঘণ্টার বিবিলিক্যাল দিন বুঝিয়েছে বা একেবারে ২৪ ঘণ্টা বা ডেফিনিট পিরিয়ড এর দিন বুঝিয়েছে একেবারেই ঠিক না  এর পরেও কেউ কথা প্যাচালে ধরে নিতে হবে যে সে কূটতর্ক করতে এসেছে।

 

এরপরেও অনেকে থুম্মা বা সুম্মা এর অর্থ then ধরে।। কিন্ত then ধরলে পারে যে উল্টো এই  আয়াত সমূহের মধ্যে কোনভাবেই COMPLETE SEQUENTIAL ACCOUNT  হবার কোন সম্ভাবনাও উড়ে যায় সেটা তারা একেবারেই খেয়াল করে দেখেন না। কিন্ত সুম্মা  এর সর্বমোট ২৩ টার মত অর্থ আছে যাদের মধ্যে and আর Morever ও আছে । এখন এই দুইটা ব্যবহার করলেই শুধুমাত্র এই আয়াত সমূহকে বিশ্লেষণ করা যায়।

 

এরপরে তাদের আরেকটা যুক্তি দেখা যাক

 

এখানে দুখান শব্দটি এর ব্যবহার  এর ফলে নাকি গ্যাস এর পরিবর্তে কাঠ কয়লা আর বাস্প যুক্ত ধোঁয়া চলে এসেছে!!! এইজন্যই এই আয়াত টা একেবারেই ভুল আচ্ছা তাহলে একটু দেখা যাক দু’খান এর অর্থ কি

 

smoke دخان, شىء كالدخان fume دخان, بخار smolder دخان كثيف, دخان reek عفونة, دخان, رائحة كريهة, عفن, رائحة نتنة, بخار

ব্যবসার জন্য Google অনুবাদ:Translator Toolkitওয়েবসাইট অনুবাদক

 

আবার তাহলে এর জন্য শুধু শুধু একটা ধোঁয়া এর অর্থ নিয়ে এটাকে ধোঁয়াটে করার মানেটা কি ? যেখানে Fume মানে তেজযুক্ত বা ঝাঁঝালো ধোঁয়া বা উদ্ধরণ কে বোঝানো হয়েছে এর পরে smolder এরও এখানে আলাদা অর্থ আছে ? তাহলে এখানে জলীয় বাস্প আর সাধারন ধোঁয়া কে টেনে আনা কতটা অবান্তর সেটা কাউকে আর বলে দিতে হয় না।

 

তাহলে যদি এটার COMPLETE SEQUENTIAL ACCOUNT   এটা না হয় তাহলে কোনটা হবে???

 

আচ্ছা দেখে নেয়া যাক।

 

THE BIG BANG CAME FIRST -The big bang occurred as a result of massive energy. 

21:30 “Do not those who disbelieve see that the heavens and the earth were joined together, but we have opened them.”- Translation M.H. SHAKIR, YUSAF ALI

 

PERIOD 2

 

 

THEN CAME A VAPOR/GAS THAT WAS DESTINED TO BE THE HEAVENS AND THE EARTH DURING THIS “OPEN” STATE

41:11 Moreover, he directed himself to the heaven and it is a vapor, so he said to it and to the earth Come both, willingly or unwillingly. They both said: We come willingly.”  Translation M.H. SHAKIR, YUSAF ALI

 

 

PERIODS 3 AND 4

 

 

THE CREATION OF THE HEAVENS -Eventually, the gasses condensed into the stars.

 

41:12 “So he ordained them seven heavens in two periods, and revealed in every heaven its affair; and We adorned the lower heaven with brilliant stars and made it to guard; that is the decree of the Mighty, the knowing.” -Translation M.H. SHAKIR

 

67:3 “God is the one who created seven heavens one above another.” – Translation M.H. SHAKIR 

 

THE EXPANSION OF THE UNIVERSE

 

51:47 “With power and skill did we construct the heaven: For it is we who expand the vastness of Space.” –Translation YUSAF ALI, MAURICE BUCAILLE.

 

PERIODS 5 AND 6

 

 

EARTH IS COMPLETED AFTER THE HEAVENS -Stars eventually exploded and recondensed over numerous cycles, forming the heavy elements that later condensed into planets.

 

 

79:27-30 “Are you the harder to create or the heaven? He made it. He raised high its height, then put it into a right good state. And he made dark its night and brought out its light. And the earth, he expanded it after that.” -Translation M.H. SHAKIR

 

 

41:9 “Say: What! Do you indeed disbelieve in him who created the earth in two periods, and do you set up equals with Him? That is the Lord of the Worlds.” – Translation M.H. SHAKIR

41:10 “He set on (the earth). Mountains standing firm, High above it, And bestowed blessings on the earth, and measured therein all things to give them nourishment in due proportion, in fourperiods, in accordance with (the needs of) those who seek (sustenance).” -Translation YUSAF ALI

(THE FOUR PERIODS DESCRIBED IN THIS VERSE COULD BE SUB-PERIODS OF THE PRIMARY TWO PERIODS DESCRIBED IN 41:9)

 

 

A DESCRIPTION OF HOW GOD CREATED THE EARTH AND A SEPARATE DESCRIPTION OF HOW HE CREATED THE HEAVEN. NO SEQUENCE OF EVENTS IS ESTABLISHED FROM THIS VERSE.

 

2:29 “He it is who created for you all that is in the earth (I.E 41:10); and also he directed himself to the heaven, so he made them complete seven heavens (I.E 41:12)” – Translation M.H. Shakir

 

 

এর পরেও কারো মনে প্রশ্ন থাকলে সে করতে পারে।

 

reference:http://www.answering-christianity.com/quran/frank_earth_heaven.htm

http://translate.google.com/#ar/en/%D8%AF%D9%8F%D8%AE%D9%8E%D8%A7%D9%86%D9%8C

www.wikipedia.com

 

Comments

সুরা আল ফুসিলাত এ কি আসলেই বৈজ্ঞানিক ভাবে কোন ভুল তথ্য দেয়া আছে ?? — ২ Comments

  1. 11) Creation of Spaces & The Earth according to Al-Qur’an & Science/ আল-কোরআন ও বিজ্ঞানের আলোকে আকাশমন্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি-
    https://sites.google.com/site/everlastingheavenlylight/al-qur-an-the-source-of-science-bijnanera-adhara-ala-kora-ana/creation-of-spaces-the-earth-according-to-al-qur-an-science-ala-kora-ana-o-bijnanera-aloke-akasamandali-o-prthibi-srsti
    এই লিংকে ব্যাখ্যা দেয়া হল।