ইসলাম ও বিভিন্ন ধর্মে স্রষ্টার ধারনা

341 জন পড়েছেন

যুক্তি দিয়ে বিশ্বাসকে ভ্রান্ত প্রমান করা যায় না শুধু হেয় করার চেষ্টা ছাড়া। কেবল মাত্র বিশ্বাস দিয়েই বিশ্বাস কে যাচাই করা যায়। বিশ্বাসই দিতে পারে বিশ্বাসের মুল্য। একমাত্র বিশ্বাসইরাই যুক্তি আগে বিশ্বাসকে আকড়ে ধরে। পরে তার বিশ্বাস আসলেইকি অন্ধ কিনা তা যাচাই করে। যা্‌চাই এর আগে দরকার বিশ্বাস। বিশ্বাসকে যৌক্তিক করার জন্য গবেষণা দরকার নাই। বিশ্বাসকে পোক্ত করার জন্য গবেষণা দরকার। বিশ্বাস কি? যে জিনিস প্রামনিত তা বিশ্বাসের কিছু নেই। অজনা কোন ধারনার উপর আস্থার না্মই বিশ্বাস। ইসলাম ও বিভিন্ন ধর্মে স্রষ্টার ধারনা বুঝার জন্য বিশ্বাস খুবই জরুরী একটি বিষয়।

ইসলামে স্রষ্টার ধারনা খুবই স্পষ্ট। স্রষ্টা ও সৃষ্টি এই দুইটি বিষয়ের উপরই স্রষ্টার পরিচয় তুলে ধরা হয়েছে। স্রষ্টা একজন। সৃষ্টি অগনিত। আর এই সৃষ্টির কাছে একক সত্বার নির্দেশ হল যেহেতু তার সৃষ্ট সবাই তাই তার কথা সবাইকে মানতে হবে। তার কথা কি? তার ইবাদত করতে হবে। তাই মানুষ ও জিন ছারা সবাই জম্মগতভাবে ইবাদত করছে নিজ নিয়মে। মানুষে ও জিনের জম্মগত নিয়ম নেই কেন? জম্মগত নিয়ম না থাকলেও জম্মগত ভাবে আনুগত্যশীল হিসেবে মানুষ জম্মগ্রহন করে। যাকে ফিতরত বলে। পরিবেশ পরিস্থিতির কারনে মানুষ আনুগত্যশীতা থেকে দুরে সরে যায়। তারা নিজের মনমত স্রষ্টা বানিয়ে তার আরাধানা করে। কেউ নিজের বিবেকবুদ্ধিকে স্রস্টা বানায়। কেউ স্রষ্টা বানায় নিজের য়ঢ় ঋপুকে। কেউ স্রষ্টা বানায় তার থেকে শক্তিশালি অন্য সৃষ্টিকে। খুব কমই থাকে আনুগত্যশীল। অথচ মানুষ ও জিন সৃষ্টি করা হয়েছে শুধু স্রষ্টার আরাধানার জন্যই অন্য কারো নয়। সে আরাধনা কি ভাবে করতে হবে? তার নবী ও রাসুলের দেখানো পথে। নবী রাসুল কে? স্রষ্টার বার্তা বাহক ও মডেল। যারা স্রষ্টার বার্তা সৃষ্টির মাঝে প্রচার করে। নবী রাসুল কারা? যেহেতু মানুষ ও জিন জাতরি জন্য মডেল তাই নবী রাসুল এই দুই জাতি থেকেই করা হয়েছে। কোন জীব জন্তু ও জড় পদার্থ বা প্রাকৃতিক বস্তুকে নবী রাসুল করা হয়নি। আল্লাহকে পাবার মাধ্যম হল তার নির্দিষ্টকরা মডেলরা। অন্য কিছু নয়। অনেকে মুর্তিকে স্রষ্টার কাছে পৌছানোর মাধ্যম মনে করে। আরবের মুশিরিকরা তাই করতো। তারা স্রষ্টা এক বিশ্বাস করতো । কিন্তু সেই একক সত্তার কাছে পৌছানো মাধ্যম মনে করতো লাত ওজাজা এসব মূর্তিকে। আর তাই তারা মুতির আরাধনা শুরু কর্ তাদের খুশি করার চেষ্টা করে। তারা মনে করেছিল এদের খুশি করতে পারলে তারা স্রষ্টার সান্নিধ্যে তাদের পৌছে দিবে। আবার অনেকে মুর্তিকে স্রষ্টার বিভিন্নরুপ কল্পনা করে উপ স্রষ্টা বানিয়ে তার আরাধনা করে। আবার কেউ মানুষ মধ্যে থেকে স্রষ্টার মনোনিত রাসুলকেই স্রষ্টা রুপ বানিয়ে আরাধান করে। আবার কেউ নিজেকেই স্রষ্টা /আয়নাল হক বলে শিরক করে।
একমাত্র ইসলামই এক স্রষ্টাকেই আরাধান করতে বলে তার কোন শরিক নাই তার কোন উপ নাই। স্রষ্টা মানুষের মধ্য থেকে যে নবী রাসুল মডেল হিসেবে প্রেরন করেছেন তারা তার সৃষ্টি ও আনুগত্যশীল বা হুকুমমান্যকারী বা গোলাম ছারা কিছুই নয়। তারা যেভাবে স্রষ্টার প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন করেছে ঠিক সেই ভাবে মানুষকে আনুগত্য করতে হবে।
আলোচনায় যে বিষয়গুলো পাই:
১। স্রষ্টা এক……………………কুলহু আল্লাহ হু আহাদ-সুরা ইখলাস
২। সৃষ্টি অগনিত
৩। সৃষ্টি স্রষ্টার বান্দা বা গোলাম
৪। স্রস্টার সৃষ্টি হিসেবে তার নির্দেশ মানতে হবে
৫। স্রষ্টার ইবাদত করতে হবে
৬। মানুষ ও জীন ছাড়া প্রত্যেক সৃষ্টিই জম্মগত নিয়েম স্রষ্টার আরাধনা করে
৭। সষ্টার কোন শরিক নাই্ । ইবাদত তাই একমাত্র স্রষ্টারই
৮। তার কোন উপ শরিক নাই।
৯। তার বার্তা বাহক আছ।
১০। নবী ও রাসূলরা তার বার্তাবাহক
১১। নবী রাসুল শুধু মাত্র মানব ও জীন থেকে করা হয়েছে
১২। নবী রাসুল এসেছে মানব ও জীনের জন্য মডেল হয়ে।
১৩। মানুষ পরিবেশের কারনে আসল স্রষ্টাকে ভুলে যায়।
১৪। নিজের মনমত স্রষ্টা বানায় কখনো নিজের মেধাকে, কখনো কোন সৃষ্টি কে, কখনো নিজের ষঢ় ঋপুকে।
১৫। পূর্বে আরবের লোকেরা মৃর্তিকে আল্লাহর মাধ্যম ভাবত্
১৬। কেউ মুর্তিকে উপ স্রষ্টা ভাবত
১৭। কেউ মুর্তিকে স্রষ্টা বিভন্নরুপে প্রকাশ ভাবত বর্তমানেও ভাবে
১৮। কেউ নবী রাসুলকেই স্রষ্ট ভাবত।
১৯। কেউ নিজেকেই স্রষ্টা ভাবত।
২০। একমাত্র ইসলামই এক স্রষ্টার আরধানা করতে বলে।
স্রষ্টা এক ইসলাম বলে অন্য ধর্ম কি বলে? সনাতন ধর্মে বেদে ও গিতা বলে এক। খ্রিষ্টান ধর্ম বাইবেল বলে এক। শিক ধর্ম গ্রন্থ সাহেব বলে এক। ইহুদি ধর্ম ওল্ডস্টিমেন্ট বলে এক, পারস্য জিন্দাবিস্তা বলে এক। প্রধান ধর্মগুলা যদি এক স্রষ্টার কথাই বলে তবে ইসলাম ছাড়া অন্য ধর্মে বহুইশ্বরবাদ, মুর্তিপুজা, প্রকৃতির পুজা কি করে আসল? ইসলাম ধর্মে এ সম্পর্কে বলা হয়েছে মানুষ নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য যুগে যুগে ধর্মিয় গ্রন্থের ধর্মিয় নিদেশনা গুলো পরিবর্তন পরিবর্ধন ও পরিমার্জন করেছে। ফলে তা মানবিয় মতবাদ ও মানবিয় ভুলে সয়লাব হয়ে বিকৃত আকারে বর্তমানে অবস্থান করছে। একমাত্র পবিত্র কুরআন অবিকৃত হয়েঁ আছে। এর প্রমান এর কথাগুলো প্রত্যেকটি প্রত্যেকটির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। বৈসাদৃশ্য নেই। অবশ্য কেন নেই এই বৈসাদৃশ্য তার উত্তর পবিত্র কুরআনেই আছে। আল্লাহ কুরআনের সংরক্ষক। তিনিই কুরআন সংরক্ষন করতে চেয়েছেন আর অন্য গ্রন্থগুলো সঠিক ভাবে সংরক্ষন করাত চাননি। তাই কুরআন অবিকৃত হয়ে আছে। তিনি চাইলে কুরআনও বিকৃত হতে পারত।

 

হযরত আদম আ.এর কলেমা- লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ আদম শফিউল্লাহ
হযরত ইব্রাহীম আ.এর কলেমা- লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ ইব্রাহীম খলিলউল্রাহ
হযরত মুসা আ.এর কলেমা- লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ মুসা কালিমুল্লাহ
হযরত দাউদ আ.এর কলেমা- লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ দাউদ খলিফাতুল্রাহ
হযরত ঈসা আ. এর কলেমা- লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ ঈসা রুহুলুল্লাহ
মহানবী হযরত মুহম্মদ স. এর কলেমা- লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ মুহাম্মাদুর রসুলুল্রাহ
সর্ব যুগের সকল নবী ও রাসুলের কলেমাতে যে জিনিসটি কমন তাহল লা ইলাহা ইল্রাল্লাহ, যার অর্থ নেই কোন ইলাহ আল্লাহ ছারা।
পৃথিবীর প্রত্যেকটি জাতি বা গোষ্টির কাছে আল্লাহ নবী ও রাসুল পাঠিয়েছেন। তাদের সবারই একটি বিয়ই কমন তা হল -লা ইলাহা ইল্রাল্লাহ। উদাহরন সরুপ বলা যায়: আর্য যুগে বেদের কথা- যা সনতন ধর্মের প্রধান ধমীয় গ্রন্থ। সেখানেও ঋষিরা প্রচার করেছেন – ন দ্বিতয় ন্ তৃতীয় শ্চতুর্থ না প্যুচ্যতে
ন পঞ্চমো ন ষষ্ঠ সপ্তমো না প্যুচ্যতে
ন অষ্টমো ন নবম দশমো না প্যুচ্যতে
য এতং দেবমেক বৃতং বেদ।
অর্থাৎ: পরমাত্মা এক। তিনি ছাড়া কেহই দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম, ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম, নবম বা দশম বলিয়া অভিহিত আর কেহ নাই। যিনি তাহাকে এক বলিয়া জানেন তিনিই তাহাকে প্রাপ্ত হন। – অথর্ব বেদ১৩/১৪/২
অল্লোপনিষদ নামে বেদে একটি উপনিষদ আছে। তাতে আল্লাহ ও মুহাম্মদ স. এর নাম রয়েছে।
হোতারমিন্দ্রো হোতারমিন্দ্রো মহাসুরিন্দ্রাৱ:।
অল্ল জ্যেষ্ঠং শ্রেষ্ঠং পরমং পূর্ণং ব্রহ্মনং অল্লাম।…….২ নং শ্লোক
অল্রহ রসল্ল মহমদর: কং বরস্য অল্ল অল্লাম
আদল্লাং বুক মেকং অল্লাবুকং নির্খাত কম।……..৩ নং শ্লোক
অর্থাৎ- আমার অস্তিত্ব আছে। আমি মহাইন্দ্রের ইন্দ্র। আমি জ্যেষ্ঠ, শ্রেষ্ঠ, পরমপূর্ণ ব্রহ্ম। আমি আল্লাহ। আল্লাহর রসুল মুহাম্মদের তুল্য আর কে আছে? আমি আল্লাহ। আল্লাহ সহায়, অবিনশ্বর, এক এবং স্বয়ম্ভু।
ইসলামের কলেমা হল- লা ইলাহা ইল্লাল্রাহ মুহাম্মাদুর রাসুল আল্রাহ। এরই সমর্থন পাওয়া যায় সনতন ধর্মের মূল গ্রন্থ বেদে-
লা-ইলহা হরতি পাপম, ইল্ল ইল্‌হ পরম পদম
জম্ম বৈকুণ্ঠপর অপ ইনতিত জপি নাম মোহাম্মদম।- উত্তরায়ণ বেদ। অনকাহী পঞ্চম পরিচ্ছেদ।
অর্থাৎ- লা ইলাহ বললে সমস্ত পাপ মাফ হয়। ইল্রাহ বললে প্রচুর সম্মানের অধিকারী হয়। যদি স্বর্গে বাস করতে চাও তবে মুহম্মদের নাম জপকর।
সনতন ধর্মের আলোকে জানা যায় যে, আল্লাহ এক। মুহম্মদ সা. শ্রেষ্ঠ রাসুল। এই বানীগুলোর দ্বারা ইসলাম ও সনাতন ধর্ম অনুসারীরা খুবই কাছাকাছি আসতে পারে। পরম বন্ধু হতে পারে।

 

বাইবেল-
হে ইসরাইল গণ শোন, আমাদের ইশ্বর সদাপ্রভু একই সদাপ্রভু। বাইবেল ২য় বিবরণ। আজ্ঞাবহ হইবার আদেশ পরিচ্ছেদ।

 

শিক ধর্মেে বলা হয়েছে-
ওঁ সত্য নাম কর্তা পুরুষ নৈর্ভো নিবৈর্ব্বর
অকালমূর্ত অজোণী সহভং গুরু প্রসাদ জপাদি সচ
জুগাদি সচ, হৈভী সচ, নানক হোমতী সচ।
অর্থাৎ- ইশ্বর মাত্র একজন যাকে বলা হয় সত্যিকারের সৃষ্টি কর্তা। তিনি ভয় ও ঘৃনা থেকে উর্ধ্বে।
তার কোন মূতি নেই। তিনি অমর, কেউ তাকে জম্ম দেয় নাই।তিনি সয়ংভু। গুরুর কৃপায় তাকে জপ কর।
সেই পরমাত্মা সত্য ছিলেন। তিন যুগে সত্য ছিলেন। বর্তমানে আছেন এবং ভবিষ্যতেও সত্য থাকবেন। -গ্রন্থ সাহেব, জপজি গোড়ি-১ ।

 

আল্লাহ পবিত্র কালামে পাকে বলেন- বলুন, হে কিতবপ্রাপ্ত গন! এস সে কথায় যা আামাদের আর তোমাদের মধ্যে এক। আর তা হল আল্লাহ ছারা কোন মাবুদ নাই। সুরা আলা ইমরান ৬৪ নং আয়াত।

 

সকল ধর্মের মাঝে যদি কমন আল্লাহর একত্ববাদ বিশ্বাসের উপর ঐক্য আসে তবে ধর্মগুলোর দুরত্ব বহুলাংশে কমে যাবে।

 

সৃষ্টিকর্তা এক যারা একের অধিক সৃষ্টি কর্তা মানে বা তাদের কাছে সাহার্য চায় তাদেরসম্পর্কে শ্রীমত ভগবত গীতার উক্তি:
গীতা – অধ্যায় ০৭ – শ্লোক ২০
কামৈস্তৈস্তৈর্হৃতজ্ঞানাঃ প্রপদ্যন্তেঽন্যদেবতাঃ ।
তং তং নিয়মমাস্থায় প্রকৃত্যা নিয়তাঃ স্বয়া ॥ ৭-২০॥
কামৈঃ = by desires
তৈস্তৈঃ = various
হৃত = deprived of
জ্ঞানাঃ = knowledge
প্রপদ্যন্তে = surrender
অন্য = to other
দেবতাঃ = demigods
তং তং = corresponding
নিয়মং = regulations
আস্থায় = following
প্রকৃত্যা = by nature
নিয়তাঃ = controlled
স্বয়া = by their own.
ভগবত গীতা – অধ্যায় ৭ – স্তব ২০ – [ যাদের বোধশক্তি পার্থিব আকাঙক্ষার মাধ্যমে বিলুপ্ত হয়ে গেছে শুধু তারাই উপদেবতার নিকটে উপাসনা করে। ]
15826567_1198172413603636_8902221573214538476_n

 

হ্জজে আসওয়াদ কেন মুসলমানরা চুমু খায়। তারা কি তাকে শক্তিধর মনে করে মুর্তিদের মত?
হাদিসে এর উত্তর রয়েছে-
3. Riyad as-Salihin ›› 16. Observation The Sunnah & The Manner Of Its Obedience ››
وعن عابس بن ربيعة قال‏:‏ رأيت عمر بن الخطاب ، رضي الله عنه ، يقبل الحجر -يعنى الأسود- ويقول‏:‏إني أعلم أنك حجر ما تنفع ولا تضر، ولوا أني رأيت رسول الله، صلى الله عليه وسلم، يقبلك ما قبلتك‏.‏ ‏(‏‏(‏متفق عليه‏)‏‏)‏ ‏.‏

 

——————————————————————————–

 

সুন্নাতের হেফাজত ও অন্যান্য প্রসঙ্গ অধ্যায় ::
রিয়াযুস স্ব-লিহীন :: বই ১ :: হাদিস ১৬৭

 

আবিস ইবনে রাবিয়া বর্ণনা করেন, আমি উমর ইবনে খাত্তাব (রা) কে হাজরে আস্‌ওয়াদ (কা’বা ঘরের দেয়ালে স্থাপিত কালো পাথর) –এ চুমু দিতে দেখেছি। তিনি বলতেনঃ আমি জানি যে, তুমি এক খণ্ড পাথর মাত্র; তুমি কোনো উপকারও করতে পারো না বা অপকারও করতে পারো না। আমি যদি রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তোমায় চুম্বন করতে না দেখতাম, তাহলে তোমায় আমি চুম্বন করতাম না। (বুখারী ও মুসলিম)

 

——————————————————————————–

 

Observation The Sunnag & The Manner Of Its Obedience ::
Riyad as-Salihin :: Book 1 :: Hadith 167

 

‘Abis bin Rabi’ah (May Allah be pleased with him) reported:

 

I saw ‘Umar bin Al-Khattab(May Allah be pleased with him) kissing the Black Stone (Al-Hajar Al-Aswad) and saying: “I know that you are just a stone and that you can neither do any harm nor give benefit. Had I not seen Messenger of Allah (sallallahu ‘alaihi wa sallam) kissing you, I would not have kissed you”.

 

[Al-Bukhari and Muslim].

 

Commentary:

 

1. The statement of `Umar (May Allah be pleased with him) quoted in this Hadith is highly significant in the sense that he wanted to make it absolutely clear to the illiterate and ignorant that Al-Hajar Al-Aswad (Black Stone of the Ka`bah) is not kissed for because stones are venerated in Islam, as was the practice in pre-Islamic period. What he wanted to emphasize was that kissing the Black Stone was in accordance with the Sunnah of the Prophet (sallallaahu ’alayhi wa sallam).

 

2. Obedience of the Prophet (sallallaahu ’alayhi wa sallam) in every affair is a must, whether one understands the wisdom behind it or not. By analogy, kissing of the Black Stone, some people think it is permissible to kiss and show respect to the tombs of saints. But this is not valid reason because kissing the Black Stone is an `Ibadah (act of worship), or a part of it, and every `Ibadah is Tauqifiyah (prescribed by Allah and the Prophet (sallallaahu ’alayhi wa sallam)) and it can neither be increased nor diminished, nor can it be graded as something else.

 


স্রষ্টার পাশাপাশি স্রষ্টার প্রেরিত মহামানব হযরত মুহমম্মদ সা. সম্পর্কে বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ বলা হয়েছে। বিখ্যাত গ্রন্থ বিশ্বনবী তে কবি গোলাম মোস্তফা তেমন কিছু তথ্য সূত্র তুলে ধরেছেন:

15965452_1205954502825427_1885600572321584127_n

16113895_1205958409491703_995088327608164395_n 16422686_1222927494461461_2330685970906294952_o 16252487_1222932207794323_2040159221444996117_o 15977798_1205956286158582_1918997937341425820_n 15937181_1205954662825411_4297159328417346435_o 15941473_1205961066158104_2504029276908729321_n

পরিশিষ্ট:
বিজ্ঞানের তেলেছমাতি দেখে আপনি এতটা আর্বিভুত যে, স্রষ্টার অস্তিত্বই ভুলে গেলেন। অথচ আসল বিজ্ঞানীতো তিনিই। কিভাবে?
বিজ্ঞান কম্পিউটার আবিষ্কার করেছে আপনি দেখেন আর ভাবেন কি চমৎকার। কতটা সময় বেচে যায়। এই কম্পিউটার আবিষ্কার করেছে মানুষ। যে নিজেই একটা জৈবিক কম্পিউটার। আর সৃষ্টিকর্তা হলেন এর বিজ্ঞানী্। ভাবুনতো একটা সামন্য পানি থেকে কিভাবে মানুষ তৈরি হল। যার পুরো দেহটি একটি বিরাট রহস্য। কম্পিউটার সম্পর্কে জানা সহজ। কিন্তু একজন মানুষ সম্পের্ক সারাজীবন গবেষণা করেও অনেক অজনা রয়ে যাবে। এই জৈবিক কম্পিউটারের যিনি স্রষ্টা তাকে অস্বিকার করছেন তারাই সৃষ্টিকরা মানুষ দ্বারা সৃষ্ট বিজ্ঞান পেয়ে। আসুন সেই মহান বিজ্ঞানী স্রষ্টার শুকরিয়া আদায় করি। বলি আলহামদুলিল্রাহ।
ধর্মের মাঝেই যে খুজে প্রশান্তি সে তা পায়। যে খুজে অশান্তি তা সে পায়। একমাত্র অবিশ্বাসরা্ই ধর্মে অশান্তি খুজে বেড়ায়। স্রষ্টাকে অস্বিকার করে নিজেকে বড় মনে করে। নিজ বুদ্ধি বিবেচনাকেই বড় স্রষ্টা মনে করে। একবারও ভাবে এই বিবেচনা শক্তি একসময় ছিলনা। হুট করে বিছানায় পেশাব করে দিত। ইসলাম ও বিভিন্ন ধর্মে স্রষ্টার ধারনার মাধ্যমে স্রষ্টায় বিশ্বাসিদের একেটি ফ্রেমে আসার আহবান মাত্র। যাতে অবিশ্বাসিরা বিশ্বাসিদের মাঝে বিভিন্ন বিভেদের দেযাল তুলে তাদেরকে একে অপরের উপর চড়াও করার সুযোগ না পায়। যে ধর্ম ই থাকুন মুল স্রোতে থাকুন। বেসিকে সবাই এক থাকুন। আর তা হল স্রষ্টা এক তার কোন শরিকনাই। তিনিই ইবাদতের যোগ্য একমাত্র উপাস্য।

341 জন পড়েছেন

আতা স্বপন

About আতা স্বপন

আমি একজন অতি সাধারন মানুষ। আমি একজন মুসলিম। আমি একজন বাংলাদেশী। আমি আমার ধর্ম ও আমার দেশ কে ভালবাসি। আমি আমার দেশের সকল শ্রেনী পেশা ও ধর্মের লোকদের ভালবাসি। আমি ভাল লোকদের পছন্দ করি। নিজে ভাল হতে চাই।

Comments are closed.